ভাগ্যদোষেই মীনার দুর্ঘটনা ঘটেছে, কারও কিছু করার ছিলো না; মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা, গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আব্দুল আজিজ আল শেখ।
‘যা ঘটেছে তার জন্য তোমরা দায়ী নও’, রাজপুত্র প্রিন্স মোহাম্মদ বিন নায়েফকে এ কথা বলেন তিনি। সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা খবরটি নিশ্চিত করেছে।
সৌদি রাজপুত্রকে গ্র্যান্ড মুফতি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু ব্যাপার আছে মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তার জন্য কাউকে দোষ দেয়া যায় না। ভাগ্যের কথা কেউ বলতে পারে না।’
এদিকে ঘটনার দুই দিনের মাথায় শুরু হয়েছে মরদেহ শনাক্তের কাজ। আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত থেকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা লাশ শনাক্তের কাজটি শুরু করেছেন। ওদিকে স্বজনদের খোঁজে গোটা মুসলিম বিশ্ব যেন তাকিয়ে আছে মীনার দিকে।
আরব নিউজের খবরে বলা হয়, পদদলনের ঘটনার পর উদ্ধার করা মরদেহ বৃহস্পতিবার সারা রাত ধরে হাসপাতাল থেকে মিনার মুয়াইজাম মর্গে স্থানান্তর করা হয়। এরপর মর্গে গোসল করিয়ে মরদেহের ছবি নেয়া হয়, নেয়া হয় আঙ্গুলের ছাপ।
নিহতদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনের ছবি ইতোমধ্যে মর্গে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আরব নিউজ। এতে স্বজন বা তার দেশের হজ কর্মকর্তারা তাদের শনাক্ত করতে পারেন। আরব নিউজ জানায়, হজযাত্রীরা বিমানবন্দরে নামার পর তাদের আঙুলের যে ছাপ ইমিগ্রেশন দপ্তর সংগ্রহ করেছিল, তার সঙ্গে লাশের আঙুলের ছাপও মিলিয়ে দেখা হবে।
‘যা ঘটেছে তার জন্য তোমরা দায়ী নও’, রাজপুত্র প্রিন্স মোহাম্মদ বিন নায়েফকে এ কথা বলেন তিনি। সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা খবরটি নিশ্চিত করেছে।
সৌদি রাজপুত্রকে গ্র্যান্ড মুফতি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু ব্যাপার আছে মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তার জন্য কাউকে দোষ দেয়া যায় না। ভাগ্যের কথা কেউ বলতে পারে না।’
এদিকে ঘটনার দুই দিনের মাথায় শুরু হয়েছে মরদেহ শনাক্তের কাজ। আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত থেকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা লাশ শনাক্তের কাজটি শুরু করেছেন। ওদিকে স্বজনদের খোঁজে গোটা মুসলিম বিশ্ব যেন তাকিয়ে আছে মীনার দিকে।
আরব নিউজের খবরে বলা হয়, পদদলনের ঘটনার পর উদ্ধার করা মরদেহ বৃহস্পতিবার সারা রাত ধরে হাসপাতাল থেকে মিনার মুয়াইজাম মর্গে স্থানান্তর করা হয়। এরপর মর্গে গোসল করিয়ে মরদেহের ছবি নেয়া হয়, নেয়া হয় আঙ্গুলের ছাপ।
নিহতদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনের ছবি ইতোমধ্যে মর্গে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আরব নিউজ। এতে স্বজন বা তার দেশের হজ কর্মকর্তারা তাদের শনাক্ত করতে পারেন। আরব নিউজ জানায়, হজযাত্রীরা বিমানবন্দরে নামার পর তাদের আঙুলের যে ছাপ ইমিগ্রেশন দপ্তর সংগ্রহ করেছিল, তার সঙ্গে লাশের আঙুলের ছাপও মিলিয়ে দেখা হবে।
