সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ১৭ জেলায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ অক্টোবর। সকাল ১০টা থেকে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় এ তথ্য জানান।
রবীন্দ্রনাথ বলেন, এ ১৭ জেলায় মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮ জন। চতুর্থ ধাপে বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, যশোর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হবে। তিনি আরো বলেন, এসব জেলার ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮ জন চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে প্রার্থীদের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে জানিয়ে জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, প্রার্থীরা www.dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো বই, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, পার্স, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনা যাবে না। যদি কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে এসব জিনিসপত্র পাওয়া যায় তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হবে বলেও জানান রবীন্দ্রনাথ। প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে ডিজিটালি প্রশ্ন ছাপিয়ে এবার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সব জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা না নিয়ে ধাপে ধাপে এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। প্রথম দফায় গত ২৭ জুন ৫ জেলায়, দ্বিতীয় দফায় ২৮ অগাস্ট ১৭ জেলা এবং তৃতীয় দফায় গত ১৬ অক্টোবর ২২ জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে নেয়া ২২ জেলার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষারও ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রবীন্দ্রনাথ বলেন, এ ১৭ জেলায় মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮ জন। চতুর্থ ধাপে বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, যশোর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হবে। তিনি আরো বলেন, এসব জেলার ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮ জন চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে প্রার্থীদের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে জানিয়ে জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, প্রার্থীরা www.dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো বই, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, পার্স, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনা যাবে না। যদি কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে এসব জিনিসপত্র পাওয়া যায় তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হবে বলেও জানান রবীন্দ্রনাথ। প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে ডিজিটালি প্রশ্ন ছাপিয়ে এবার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সব জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা না নিয়ে ধাপে ধাপে এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। প্রথম দফায় গত ২৭ জুন ৫ জেলায়, দ্বিতীয় দফায় ২৮ অগাস্ট ১৭ জেলা এবং তৃতীয় দফায় গত ১৬ অক্টোবর ২২ জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে নেয়া ২২ জেলার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষারও ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

