জামালপুর প্রতিনিধি
বিফলে যেতে বসেছে যুবকটির জীবন , সন্তান জন্ম দেওয়ার সম্ভাবণা নেই তারপরও সেই যুবকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের কতিপয় ব্যক্তি। জোর করে বন্ধ্যাকরণের পরও তার উপর উল্টো মিথ্যা কলঙ্ক চাপাতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে মাঠ কর্মীরা।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ পরিবারের লোকদের মনে থাকা আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে তারা। যুবকটির জীবন যৌবন বিনষ্ট করার পরও ক্ষান্ত হয়নি ওই অফিসের কর্মকর্তারা । ঘটনাটি ফাঁস হলে ও বিভিন্ন দৈনিকে সংবাদ প্রচার হলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সেই যুবককে মাদকাসক্ত বানানোর জোর পায়তারা করছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের লোকজন।
ওই অফিসের কতিপয় মাঠ কর্মী ও অন্যান্য কর্মকর্তারা বকশীগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন স'ানে কায়দা করে ওই যুবক জামিলকে মাদকাসক্ত বলে প্রচার করছে। এমনকি ওই যুবকের আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি মিটমাট করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। জামিলের পরিবারের কাছে আপোষের সাড়া না পেয়ে চালাতে থাকে নানা অপপ্রচার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২১ ডিসেম্বর দুপুরে বকশীগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ডা. মজিবল হক ও ওই কেন্দ্রের ভিজিটর রওশন আর এবং মাঠ কর্মী রেনুকা বেগমের সহযোগিতায় পশ্চিমপাড়া গ্রামের আমবাহার মিয়ার ছেলে জামিল মিয়া (২০) কে জোর পূর্বক বন্ধ্যাকরণ করেন। এ ঘটনা জানাজানি এবং বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়।
এমনিকি ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কতিপয় মাঠকর্মীরা তোড়জোর শুরু করেছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে।
বিফলে যেতে বসেছে যুবকটির জীবন , সন্তান জন্ম দেওয়ার সম্ভাবণা নেই তারপরও সেই যুবকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের কতিপয় ব্যক্তি। জোর করে বন্ধ্যাকরণের পরও তার উপর উল্টো মিথ্যা কলঙ্ক চাপাতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে মাঠ কর্মীরা।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ পরিবারের লোকদের মনে থাকা আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে তারা। যুবকটির জীবন যৌবন বিনষ্ট করার পরও ক্ষান্ত হয়নি ওই অফিসের কর্মকর্তারা । ঘটনাটি ফাঁস হলে ও বিভিন্ন দৈনিকে সংবাদ প্রচার হলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সেই যুবককে মাদকাসক্ত বানানোর জোর পায়তারা করছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের লোকজন।
ওই অফিসের কতিপয় মাঠ কর্মী ও অন্যান্য কর্মকর্তারা বকশীগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন স'ানে কায়দা করে ওই যুবক জামিলকে মাদকাসক্ত বলে প্রচার করছে। এমনকি ওই যুবকের আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি মিটমাট করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। জামিলের পরিবারের কাছে আপোষের সাড়া না পেয়ে চালাতে থাকে নানা অপপ্রচার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২১ ডিসেম্বর দুপুরে বকশীগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ডা. মজিবল হক ও ওই কেন্দ্রের ভিজিটর রওশন আর এবং মাঠ কর্মী রেনুকা বেগমের সহযোগিতায় পশ্চিমপাড়া গ্রামের আমবাহার মিয়ার ছেলে জামিল মিয়া (২০) কে জোর পূর্বক বন্ধ্যাকরণ করেন। এ ঘটনা জানাজানি এবং বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়।
এমনিকি ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কতিপয় মাঠকর্মীরা তোড়জোর শুরু করেছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।