জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু ঃ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন জমে উঠেছে। ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করলেও রয়েছে নানা শঙ্কা। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের ভোট গ্রহণকে সামনে রেখে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মেয়র, কাউন্সিলর ও নারী আসনের প্রার্থীরা । দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে তিন জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শাহনেওয়াজ শাহান শাহ, জগ প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) ও বর্তমান মেয়র শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু এবং ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে আছে বিএনপির একেএম মুছা।
নৌকা প্রতীক নিয়ে জোরেশোরে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগের আহবায়ক শাহনেওয়াজ শাহান শাহ। গত নির্বাচনে তিনি দলীয় সমর্থন না পেয়ে বিদ্্েরাহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবার দল তার উপর সহায় হওয়ায় নৌকা প্রতীক নিয়ে খোশ মেজাজে রয়েছেন তিনি। তার সাথে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইসতিয়াক হোসেন দিদার, সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপ। দলের মনোনয়ন না পেয়ে জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান মেয়র ও গত নির্বাচনের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু।
অপরদিকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন দেওয়ানগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একেএম মুছা। আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহান শাহ নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রাচারণা চালালেও পদে পদে বাধার সম্মুখিন হচ্ছেন স্বতন্ত্র ও বিএনপির প্রার্থী। প্রতিনিয়ত নেতাকর্মীদের হুমকি-ধামকি দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ অসি'র করে তুলছেন শাহান শাহের সমর্থকরা এমন অভিযোগও উঠেছে।
পৌর এলাকার চুনিয়াপাড়া এলাকায় গণসংযোগ কালে বর্তমান মেয়র ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু সাংবাদিকদের বলেন, রাতে ডিবি পুলিশ ও দিনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার প্রচারণায় বাধা দিচ্ছেন । স'ানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদের হাতকে দুর্বল করতেই ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে শাহান শাহকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে মর্মেও অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু।
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৭০ ভাগ ভোট তিনি পাবেন এমন আশাবাদও করেন এ প্রার্থী।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ধানেরশীষের বিজয় নিশ্চিত মনে করেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী একেএম মুছা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বিঘ্নে প্রচারণা চালাতে পারলে নির্বাচনী মাঠে ভোটের হিসাব আরও ভাল হতো ।
সরেজমিনে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে এবং ফলাফল সুষ্ঠুভাবে ঘোষণা করা হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী অপুর জগ ও বিএনপির প্রার্থী একেএম মুছার ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে লড়াই হবে।
সাধারণ ভোটারের প্রত্যাশা তারা যেন তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেন।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন জমে উঠেছে। ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করলেও রয়েছে নানা শঙ্কা। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের ভোট গ্রহণকে সামনে রেখে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মেয়র, কাউন্সিলর ও নারী আসনের প্রার্থীরা । দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে তিন জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শাহনেওয়াজ শাহান শাহ, জগ প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) ও বর্তমান মেয়র শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু এবং ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে আছে বিএনপির একেএম মুছা।
নৌকা প্রতীক নিয়ে জোরেশোরে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগের আহবায়ক শাহনেওয়াজ শাহান শাহ। গত নির্বাচনে তিনি দলীয় সমর্থন না পেয়ে বিদ্্েরাহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবার দল তার উপর সহায় হওয়ায় নৌকা প্রতীক নিয়ে খোশ মেজাজে রয়েছেন তিনি। তার সাথে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইসতিয়াক হোসেন দিদার, সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপ। দলের মনোনয়ন না পেয়ে জগ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান মেয়র ও গত নির্বাচনের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু।
অপরদিকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন দেওয়ানগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একেএম মুছা। আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহান শাহ নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রাচারণা চালালেও পদে পদে বাধার সম্মুখিন হচ্ছেন স্বতন্ত্র ও বিএনপির প্রার্থী। প্রতিনিয়ত নেতাকর্মীদের হুমকি-ধামকি দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ অসি'র করে তুলছেন শাহান শাহের সমর্থকরা এমন অভিযোগও উঠেছে।
পৌর এলাকার চুনিয়াপাড়া এলাকায় গণসংযোগ কালে বর্তমান মেয়র ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু সাংবাদিকদের বলেন, রাতে ডিবি পুলিশ ও দিনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার প্রচারণায় বাধা দিচ্ছেন । স'ানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদের হাতকে দুর্বল করতেই ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে শাহান শাহকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে মর্মেও অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ নুরুন্নবী অপু।
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৭০ ভাগ ভোট তিনি পাবেন এমন আশাবাদও করেন এ প্রার্থী।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ধানেরশীষের বিজয় নিশ্চিত মনে করেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী একেএম মুছা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বিঘ্নে প্রচারণা চালাতে পারলে নির্বাচনী মাঠে ভোটের হিসাব আরও ভাল হতো ।
সরেজমিনে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে এবং ফলাফল সুষ্ঠুভাবে ঘোষণা করা হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী অপুর জগ ও বিএনপির প্রার্থী একেএম মুছার ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে লড়াই হবে।
সাধারণ ভোটারের প্রত্যাশা তারা যেন তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেন।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।