সেবা ডেস্ক: ভায়গ্রা বা ওই ধরনের ওষুধ খেলে কোন রকমের সাইড এফেক্টস হয়? এই প্রশ্ন নিশ্চয় আপনার মনে অনেকবার এসেছে। আপনি যদি এই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করেন বা করার কথা ভাবেন তাহলে নীচের লেখাটা অবশ্যই পড়ুন।
প্রথমেই বলবো ভায়গ্রা বা এই ধরনের ওষুধ ইউ কে বা আমেরিকায় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি হয় না। কিন্তু আমাদের দেশে যে কারো ইচ্ছে মতো এই ওষুধ কিনতে পারে। একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে এই ধরনের ওষুধ ‘Erectile Dysfunction’ যাদের আছে তাদের জন্য বানানো হয়েছে। এটা কিন্তু একেবারেই কামোদ্দীপক বা ‘লিবিডো বুস্টার’ নয়। বা সোজা বাংলায় এটা শুধুমাত্র ‘পেনিস’ কে ‘ইরেক্ট’ করতে সাহায্য করে। এই ধরনের ওষুধ ৫০ বছরের বেশি বয়স্ক পুরুষদের ব্যবহারের জন্যই বানানো হয়েছে। কারণ এই বয়েসে পৌঁছনার পর আমাদের হার্ট যথেষ্ট রক্ত পাম্প করতে পারে না। ফলে ঠিক মত ‘ইরেকশন’ হয় না।
তবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে সম্প্রতি এই ধরনের ওষুধ তরুণ এবং যুবকরাও ব্যবহার করছে। বেশিরভাগ ডাক্তারই এই ধরণের ওষুধ ব্যবহার করতে বারণ করবে। কারণ বারবার ব্যবহার করলে শরীর এই ধরণের ওষুধে অভ্যস্ত হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে এমনও হতে পারে যে এই ওষুধের সাহায্য ছাড়া লিঙ্গোত্থান হবে না।
এছাড়াও আরো বহু রকমের সাইড এফেক্ট আছে। অন্য ওষুধ বিশেষত যে ওষুধে নাইট্রেট আছে সেই ধরনের ওষুধের সঙ্গে ভায়গ্রা বা এই ধরণের ওষুধ একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। হার্ট‚ হাইপারটেনশন এর জন্য যারা নিয়মিত ওষুধ খান তাদের ও এই ধরনের ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।
মাথা যন্ত্রণা‚ লিভারের গোলমাল‚ চোখের দৃষ্ট ঝাপসা হওয়া‚ ফেসিয়াল ফ্ল্যাশিং‚ চোখের নীল আলো দেখা বা সেনসিটিভিটি টু লাইট এইগুলো সব ভায়গ্রা বা ওই ধরনের ওষুধের সাইড এফেক্টস। কিছু ক্ষেত্রে ভায়গ্রা নেওয়ার ফলে হার্ট অ্যাটাক অব্দি হতে পারে।
তবে এই ধরনের ওষুধের সব থেকে সাধারণ সাইড এফেক্ট হলো বেশ কয়েক ঘন্টার জন্য পেনিস ইরেক্ট হয়ে যাওয়া। এই ইরেকশন খুবই বেদনাদায়েক হতে পারে। এমনকী আপনাকে ডাক্তারের কাছেও যেতে হতে পারে। যাই হোক‚ কেউ যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছড়া এই ড্রাগ ব্যাবহার করছেন তাহলে শিগগিরই সেটি খাওয়া বন্ধ করুন। মনে রাখবেন এটা কিন্তু কোনমতেই মনোরঞ্জনের জন্য বা পৌরুষ দেখানোর জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।