সেবা ডেস্ক: ১. ঘিয়ের পুষ্টি গুণ অনেক। এরমধ্যে ভিটামিন 'এ' ও 'ই' আছে।
২. নারিকেল তেলের যা পুষ্টিগুণ আছে, একই রকম গুণে সমৃদ্ধ ঘি।
৩. মাখনের চেয়ে বেশি উপকারী ঘি। ঘি খেলে স্মৃতিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
৪. ঘি রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্যে ব্যবহৃত হয়।
৫. আয়ুর্বেদ অনুযায়ী ঘি খেলে শরীর ও মনে ইতিবাচক চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে যে মানুষ যত খাঁটি ঘি খাবেন, তার শরীর-মন তত বেশি ফুরফুরে থাকবে।
৬. ঘিয়ের মধ্যে যে ফ্যাটি অ্যাসিড আছে, তা শরীরের মধ্যে থাকা অন্য ফ্যাট ঝরিয়ে দিতে সাহায্য করে, যার ফলে ওজনও কমে যায়।
৭. অন্য যেকোনও ধরনের তেলের তুলনায় ঘিয়ে বাটিরিক অ্যাসিড অনেক বেশি পরিমাণের আছে। যা আদপে শরীরের ভিতর গিয়ে হজম প্রক্রিয়ায়ে সাহায্য করে।
৮. চামড়ার উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে ঘিয়ের গুণ অনস্বীকার্য।
৯. চিকিৎসা শাস্ত্রেও ঘি ব্যবহার করা হয়। আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্য, হাঁটুর ব্যথা ও চোখের জন্যেও ঘি খুবই উপকারী।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।