সেবা ডেস্ক:
জামালপুরের বকশীগঞ্জে গত এক সপ্তাহে অর্ধশতাধিক শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬ জন শিশু ডায়ারিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হঠাৎ ডায়রিয়ার রোগীর বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের পাঁচজন শিশু চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও গত এক সপ্তাহে অর্ধশত শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। রোগীর স্বজনরা জানান,কয়েকদিনে আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে তাদের শিশু।
হাসপাতালের সিনিয়র সেবিকা মাহমুদা আক্তার শিউলী জানান, প্রতিদিন গড়ে ৬ জন রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরেই ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। শয্যা না থাকায় রোগিকে মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাদের হুসাইন জানান, এ সময় আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে অনেকে রোটা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। তবে ৪/৫ দিনের মধ্যেই রোগী ভালো হয়ে যায়। ডায়রিয়ার থেকে রক্ষা করতে শিশুদের উষ্ণ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখার পাশাপাশি নিরাপদ পানি পান করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস'্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. হিবরুল বারী জানান, এ সময়ে রোটা ভাইরাসের কারনে ডায়রিয়া বেশি হয়। বিশেষ করে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়। তবে ভয়ের কিছু নেই।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে গত এক সপ্তাহে অর্ধশতাধিক শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬ জন শিশু ডায়ারিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হঠাৎ ডায়রিয়ার রোগীর বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের পাঁচজন শিশু চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও গত এক সপ্তাহে অর্ধশত শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। রোগীর স্বজনরা জানান,কয়েকদিনে আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে তাদের শিশু।
হাসপাতালের সিনিয়র সেবিকা মাহমুদা আক্তার শিউলী জানান, প্রতিদিন গড়ে ৬ জন রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরেই ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। শয্যা না থাকায় রোগিকে মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাদের হুসাইন জানান, এ সময় আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে অনেকে রোটা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। তবে ৪/৫ দিনের মধ্যেই রোগী ভালো হয়ে যায়। ডায়রিয়ার থেকে রক্ষা করতে শিশুদের উষ্ণ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখার পাশাপাশি নিরাপদ পানি পান করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস'্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. হিবরুল বারী জানান, এ সময়ে রোটা ভাইরাসের কারনে ডায়রিয়া বেশি হয়। বিশেষ করে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়। তবে ভয়ের কিছু নেই।
খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।