সেবা ডেস্ক: বাঁশের খুটি, কলা পাতা, খেজুর ডাল বেতের পাতা। এসব উপকরণ দিয়ে বিশেষ কায়দায় তৈরি করা ফাঁদ। ৬ থেকে ৭ ফিট উঁচু। ফাঁদের সামনে বাঁশের মগডালে রাখা বক হাতে শিকারি। দল বেঁধে উড়ে যাওয়া বক শিকারের অপেক্ষায়।
এভাবেই প্রতিদিন ভোরে পাখি শিকারিরা চলনবিলের ফসলের মাঠে সারি সারি করে ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করছে। আবার এক শ্রেণির শিকারিরা বিষটোপ-বড়শি দিয়ে রাতের অন্ধকারে বকসহ নানা প্রকার অতিথি পাখি শিকার করছেন। প্রতিদিন বিকাল থেকে গভীর রাত আর ভোর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত পাখি শিকার চলছে। শিকার করা এসব পাখি প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে হাট-বাজারে।
পানি নেমে যাওয়ায় চলনবিলের খাল-বিল, জলাশয়গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। শুকিয়ে যাওয়া এসব জলাশয়গুলোতে মিলছে পুঁটি, খলসেসহ ছোট ছোট মাছ। এসব মাছ খাওয়ার লোভেই চলনবিলে আশ্রয় নিয়েছে নানা প্রজাতির অতিথি পাখি। কিন্তু কিছু লোভী মানুষ সুযোগ নিয়েছে এ সব পাখি শিকারের।
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের এক বকশিকারি বলেন, প্রতিটি বক তারা ১২০ টাকা ১৫০ টাকায় বিক্রি করেন।-ইত্তেফাক।