![]() |
| শিক্ষার্থীদের ভূয়া ভূয়া স্লোগানের মুখে যোগদান না করেই ফিরে গেলেন জামালপুর নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ! |
শিক্ষার্থীদের ভুয়া স্লোগানের মুখে না ঢুকেই ফিরলেন জামালপুর নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ
অভিযুক্ত ও বিতর্কিত কর্মকর্তা মাকসুদা ইয়াসমিনের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলন ও ভুয়া-ভুয়া স্লোগানের মুখে না ঢুকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ।
(ads1)
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সংলগ্ন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজ চত্বরে এই তুলকালাম কাণ্ড ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন শেরপুর নার্সিং কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, শিক্ষার্থীদের অযাচিত হুমকি এবং অগণতান্ত্রিক আচরণের নানা গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা তাঁর পদত্যাগের দাবিতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিক আন্দোলন পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন:
- শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে মাঠে জামালপুর ৩৫ বিজিবির ৬ প্লাটুন মোতায়েন, মন্ডপ পরিদর্শন!
- জামালপুরে তামাকমুক্ত দিবস পালিত: ই-সিগারেট ও ভেপ নিষিদ্ধের দাবি
- মেলান্দহে নজরুলবর্ষ উদযাপিত: শিক্ষা উপকরণ, অর্থ ও ঢেউটিন বিতরণ
- জামালপুরে ৫ শত টাকা বাজিতে জীবন্ত শালিক পাখি চিবিয়ে খাওয়া ব্যক্তি আটক
- ইসলামপুরে নির্ধারিত স্থানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ১২ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মাকসুদা ইয়াসমিনকে শেরপুর থেকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে বদলি করা হয়।
তবে এই প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই জামালপুরের নার্সিং শিক্ষার্থীরাও ফুসে ওঠেন। দুর্নীতিবাজ কোনো কর্মকর্তাকে জামালপুরে পুনর্বাসন করা যাবে না—এমন দাবিতে তাঁরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে ও কলেজের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাকসুদা ইয়াসমিন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করতে আসেন। খবর পেয়ে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা তাঁকে ঘিরে ধরে ‘ভুয়া’, ‘দুর্নীতিবাজ’, ‘ধান্দাবাজ’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে একযোগে স্লোগান দিতে থাকেন এবং কলেজে প্রবেশে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
(ads2)
শিক্ষার্থীদের টানা বাধার মুখে দীর্ঘ সময় কলেজের গেটের সামনেই আটকে থাকেন তিনি। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে এবং দুপুর ২টা পর্যন্ত কোনোভাবেই প্রাঙ্গণে ঢুকতে না পেরে অবশেষে গেট থেকেই ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান মাকসুদা ইয়াসমিন।
এ বিষয়ে জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আজিজুল হক জানান, "শিক্ষার্থীরা নতুন অধ্যক্ষের যোগদানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন বিষয়টি আমি জেনেছি। তবে তাঁর বদলি বা যোগদানের পরবর্তী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও নার্সিং বোর্ডই গ্রহণ করবে।"







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।