মঙ্গল গ্রহে প্রবাহমান পানির সন্ধান পেয়েছে নাসার বিজ্ঞানীরা। গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নাসার বিজ্ঞানীরা এ কথা জানায়।
এর আগে মঙ্গলে বরফের সন্ধান পেয়েছিল বিজ্ঞানীরা। কয়েক জন বিজ্ঞানীর একটি দল গবেষণার পর জানায়, নাসার উপরিতলে বরফের সঙ্গে পানিও রয়েছে।
বিজ্ঞানীদের দাবি, মঙ্গলে অত্যধিক লবণের উপস্থিতির কারণে মাইনাস ১২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি তরল রূপে রয়েছে।
মঙ্গলে মিলেছে প্রবহমান পানির ধারা
পানির উৎস সম্বন্ধে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি
বিজ্ঞানীরা। বেশ কয়েকটি সম্ভাবনার কথা তাঁরা জানিয়েছেন। প্রথমত, উপরিতলের বরফ গলে পানিতে পরিণত হতে পারে। দ্বিতীয়ত, মঙ্গলের পৃষ্ঠদেশে লবণের আধিক্য রয়েছে। লবণ উদগ্রাহী, সুতরাং বায়ুমণ্ডল থেকে পানি গ্রহণ করতে পারে। অথবা পানিধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কোনও পাথর থেকেও পানি বের হতে পারে।
চলতি বছরের এপ্রিলেই নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, মঙ্গলের উপরিতলের লবণ অত্যধিক পানি শোষণ করে। যার ফলে রাতে ছোট ছোট জলাশয়ও তৈরি হয়।
এর আগে মঙ্গলে বরফের সন্ধান পেয়েছিল বিজ্ঞানীরা। কয়েক জন বিজ্ঞানীর একটি দল গবেষণার পর জানায়, নাসার উপরিতলে বরফের সঙ্গে পানিও রয়েছে।
বিজ্ঞানীদের দাবি, মঙ্গলে অত্যধিক লবণের উপস্থিতির কারণে মাইনাস ১২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি তরল রূপে রয়েছে।
মঙ্গলে মিলেছে প্রবহমান পানির ধারা
পানির উৎস সম্বন্ধে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি
বিজ্ঞানীরা। বেশ কয়েকটি সম্ভাবনার কথা তাঁরা জানিয়েছেন। প্রথমত, উপরিতলের বরফ গলে পানিতে পরিণত হতে পারে। দ্বিতীয়ত, মঙ্গলের পৃষ্ঠদেশে লবণের আধিক্য রয়েছে। লবণ উদগ্রাহী, সুতরাং বায়ুমণ্ডল থেকে পানি গ্রহণ করতে পারে। অথবা পানিধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কোনও পাথর থেকেও পানি বের হতে পারে।
চলতি বছরের এপ্রিলেই নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, মঙ্গলের উপরিতলের লবণ অত্যধিক পানি শোষণ করে। যার ফলে রাতে ছোট ছোট জলাশয়ও তৈরি হয়।

