৩০ ঘণ্টার কথা বললেও আমরা ২৭ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক।
তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম পশু কোরবানির পর বর্জ্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করবো। পরে আবার বলেছিলাম ৪৮ ঘণ্টা নয়, ৩০ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করে ফেলব। কিন্তু নগরবাসীর সহযোগিতা ৩০ ঘণ্টা নয়, ২৭ ঘণ্টার মধ্যে আমরা পশু কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি।’
রবিবার সকালে ডিএনসিসি’র নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির বর্জ্য অপসারণে অর্জিত সফলতা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, সম্পূর্ণ না হলেও অনেকদূর অগ্রসর হয়েছি। গত সাতদিন আমাদের বর্জ্য বিভাগের সবার ছুটি বাতিল ছিলো। আর সবার প্রচেষ্টায় নগরবাসীকে একটু হলেও স্বস্তি দিতে পেরেছি। সব মিলিয়ে বড় প্রত্যাশার জায়গা ওপেন হয়েছে।
‘ক্লিন ঢাকা’র ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আগামী ৫-৬ মাসের মধ্যে রাস্তার ওপর ৮০ ভাগ বর্জ্য থাকবে না। এ জন্য কাজ চলছে। ৭২ টি বর্জ্য কালেকশন পয়েন্ট তৈরি করা হবে। এর মধ্যে ১৪টি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করা হয়েছে। বাকি পয়েন্টগুলোর জন্য সিটি কর্পোরেশনের জায়গা নেই। অন্য সংস্থার কাছ থেকে জায়গা নিয়ে করতে হবে। তবে জায়গাগুলো নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগিতা চেয়েছি। আশা করি শিগগিরই আমরা ৭২টি বর্জ্য কালেকশন পয়েন্ট তৈরি করে ফেলতে পারব।’
বর্জ্য অপসারণে সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমিনবাজারে বড় চামড়ার হাট বসে। এ কারণে ঈদের দিন (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওখানে চারঘণ্টা যানজট এবং সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকায় আমাদের নিজস্ব গাড়িতে গ্যাস নেওয়া ব্যাহত হওয়ার কষ্ট হয়েছে। এরপরও ২৭ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করেছি।
রাজধানীর দু’টি এলাকার কথা উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, আমি নিজে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াইঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে প্রত্যক্ষ করেছি। মিরপুরে একটু গন্ধ পেয়েছি। উত্তরায় চামড়ার বাজারের কারণে একটু সমস্যা হয়েছে। এছাড়া বাকি এলাকাগুলোতে কোনো সমস্যা নেই।
পশু জবাইয়ের জন্য ২৭৯ স্থান নির্ধারিত ছিলো। কিন্তু বেশিরভাগ স্থানেই জনগণের অংশগ্রহণ কম ছিলো। তবে ঈদের দিন এক স্থানে ৫৯টি আরেক স্থানে ৫টি জবাই দেখেছি। আবার অন্য একটিতে কেউই আসেননি বলে মন্তব্য করেন উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম এনামুল হক, সচিব মো. নবিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহাসহ বর্জ ও পরিবহণ বিভাগের কর্মকর্তারা।
তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম পশু কোরবানির পর বর্জ্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করবো। পরে আবার বলেছিলাম ৪৮ ঘণ্টা নয়, ৩০ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করে ফেলব। কিন্তু নগরবাসীর সহযোগিতা ৩০ ঘণ্টা নয়, ২৭ ঘণ্টার মধ্যে আমরা পশু কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি।’
রবিবার সকালে ডিএনসিসি’র নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির বর্জ্য অপসারণে অর্জিত সফলতা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, সম্পূর্ণ না হলেও অনেকদূর অগ্রসর হয়েছি। গত সাতদিন আমাদের বর্জ্য বিভাগের সবার ছুটি বাতিল ছিলো। আর সবার প্রচেষ্টায় নগরবাসীকে একটু হলেও স্বস্তি দিতে পেরেছি। সব মিলিয়ে বড় প্রত্যাশার জায়গা ওপেন হয়েছে।
‘ক্লিন ঢাকা’র ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আগামী ৫-৬ মাসের মধ্যে রাস্তার ওপর ৮০ ভাগ বর্জ্য থাকবে না। এ জন্য কাজ চলছে। ৭২ টি বর্জ্য কালেকশন পয়েন্ট তৈরি করা হবে। এর মধ্যে ১৪টি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করা হয়েছে। বাকি পয়েন্টগুলোর জন্য সিটি কর্পোরেশনের জায়গা নেই। অন্য সংস্থার কাছ থেকে জায়গা নিয়ে করতে হবে। তবে জায়গাগুলো নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগিতা চেয়েছি। আশা করি শিগগিরই আমরা ৭২টি বর্জ্য কালেকশন পয়েন্ট তৈরি করে ফেলতে পারব।’
বর্জ্য অপসারণে সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমিনবাজারে বড় চামড়ার হাট বসে। এ কারণে ঈদের দিন (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওখানে চারঘণ্টা যানজট এবং সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকায় আমাদের নিজস্ব গাড়িতে গ্যাস নেওয়া ব্যাহত হওয়ার কষ্ট হয়েছে। এরপরও ২৭ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করেছি।
রাজধানীর দু’টি এলাকার কথা উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, আমি নিজে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াইঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে প্রত্যক্ষ করেছি। মিরপুরে একটু গন্ধ পেয়েছি। উত্তরায় চামড়ার বাজারের কারণে একটু সমস্যা হয়েছে। এছাড়া বাকি এলাকাগুলোতে কোনো সমস্যা নেই।
পশু জবাইয়ের জন্য ২৭৯ স্থান নির্ধারিত ছিলো। কিন্তু বেশিরভাগ স্থানেই জনগণের অংশগ্রহণ কম ছিলো। তবে ঈদের দিন এক স্থানে ৫৯টি আরেক স্থানে ৫টি জবাই দেখেছি। আবার অন্য একটিতে কেউই আসেননি বলে মন্তব্য করেন উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম এনামুল হক, সচিব মো. নবিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহাসহ বর্জ ও পরিবহণ বিভাগের কর্মকর্তারা।
