জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুরের মেলান্দহে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ হত্যাকারীর নিজ বসতবাড়ির নিচে পুতে রাখার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ২০ দিন পর পুলিশ বুধবার দিবাগত রাত একটায় হত্যাকারীর বাড়ির মাটির নিচ থেকে স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে।
২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জামালপুরের পুলিশ সুপার মো. নিজাম উদ্দীন জানান, মেলান্দহের শিহাটা গমিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র হাবিবুর রহমান গত ২ অক্টোবর রাতে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এই ঘটনায় স্কুল ছাত্র হাবিবের পিতা বজরদ্দি পাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিম মেলান্দহ থানায় জিডি করেন। জিডির সূত্র ধরে পুলিশ সুপার তদন্ত কাজ শুরু করেন। স্কুল ছাত্র হাবিব নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ মেলান্দহের আলোকদিয়া গ্রামের মো. শাহীনের পুত্র ও হাবিবের বন্ধু গার্মেন্টস কর্মী পারভেজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পারভেজ তার বন্ধু হাবিবকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করে। হত্যাকারী পারভেজের বসতবাড়ি মেলান্দহের আলোকদিয়া গ্রামের মাটির নিচ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জন কেনেডি জাম্বিল এবং পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপসি'তিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।
পুলিশ সুপার জানায়, স্কুল ছাত্র হাবিবকে হত্যার পূর্বে তার বন্ধু পারভেজ তাকে নেশা করায় এবং নেশাগ্রস''বস'ায় তাকে গলাটিপে হত্যা করে। লাশ মাটি চাপা দেয়ার পর তার উপর একটি নতুন ঘর উত্তোলন করে হত্যাকারী পারভেজ।
পুলিশ সুপার আরো জানান, এই হত্যাকান্ডের সাথে আরো কেউ জড়িত আছে কি না তা ক্ষতিয়ে দেখছে পুলিশ।
জামালপুরের মেলান্দহে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ হত্যাকারীর নিজ বসতবাড়ির নিচে পুতে রাখার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ২০ দিন পর পুলিশ বুধবার দিবাগত রাত একটায় হত্যাকারীর বাড়ির মাটির নিচ থেকে স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে।
২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জামালপুরের পুলিশ সুপার মো. নিজাম উদ্দীন জানান, মেলান্দহের শিহাটা গমিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র হাবিবুর রহমান গত ২ অক্টোবর রাতে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এই ঘটনায় স্কুল ছাত্র হাবিবের পিতা বজরদ্দি পাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিম মেলান্দহ থানায় জিডি করেন। জিডির সূত্র ধরে পুলিশ সুপার তদন্ত কাজ শুরু করেন। স্কুল ছাত্র হাবিব নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ মেলান্দহের আলোকদিয়া গ্রামের মো. শাহীনের পুত্র ও হাবিবের বন্ধু গার্মেন্টস কর্মী পারভেজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পারভেজ তার বন্ধু হাবিবকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করে। হত্যাকারী পারভেজের বসতবাড়ি মেলান্দহের আলোকদিয়া গ্রামের মাটির নিচ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জন কেনেডি জাম্বিল এবং পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপসি'তিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।
পুলিশ সুপার জানায়, স্কুল ছাত্র হাবিবকে হত্যার পূর্বে তার বন্ধু পারভেজ তাকে নেশা করায় এবং নেশাগ্রস''বস'ায় তাকে গলাটিপে হত্যা করে। লাশ মাটি চাপা দেয়ার পর তার উপর একটি নতুন ঘর উত্তোলন করে হত্যাকারী পারভেজ।
পুলিশ সুপার আরো জানান, এই হত্যাকান্ডের সাথে আরো কেউ জড়িত আছে কি না তা ক্ষতিয়ে দেখছে পুলিশ।
