
সাভারে নিহত দুই ব্যবসায়ীর লাশ ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। এসময় সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীদের সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুলিশ সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী দ্বয়ের মৃত্যু হয়েছে দাবি করলেও এলাকাবাসী বলছে ডাকাতির ঘটনায় তারা নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে ভাকুর্তা ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই সবজি ব্যবসায়ী হলেন- মহসিন (৪০) ও মাসুদ (২০)।
এলাকাবাসী জানায়, বুধবার ভোর ৪টার দিকে সাভারের পার্শ্ববর্তী কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের বটতলী এলাকার মহসিন ও মাসুদ নামের দুই সবজি ব্যবসায়ী কাভার্ড ভ্যানে সবজি নিয়ে মিরপুর-১ এর উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। পরে তারা তুরাগ লোহার ব্রিজের দক্ষিণে পৌঁছলে একদল ডাকাত রাস্তা বন্ধ করে ওই দুই সবজি ব্যবসায়ীকে হাত-পা বেঁধে মারপিট করে তাদের কাভার্ড ভ্যানের আড়ালে রাস্তার উপর ফেলে রেখে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। পরে তারা অন্য যানবাহনও আটকিয়ে ডাকাতি করতে থাকে। তখন বালুবাহী একটি ট্রাক ডাকাতির বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত গতিতে স্থানটি অতিক্রম করার সময় মহসিন ও মাসুদ ট্রাকের চাপায় নিহত হন। ডাকাতদের হামলায় আলম (২৩) ও মহিউদ্দিন (২৬) নামে দুইজন আহতও হন। তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ডাকাতদের ধরতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ সড়ক দুর্ঘটনার কথা বলছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান জানান, এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সবজি ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। ওসি আরো জানান, সকালে তুরাগ-ভাকুর্তা সড়কের স্টিল ব্রিজের পাশে দুই ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা এ ঘটনাকে ডাকাতি উল্লেখ করে বিক্ষোভ করতে থাকে।
কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, জেলার ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা থেকে গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় সহোদর দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরা হলেন- জেলা শহরের পাহাড়তলী এলাকার মো. আলমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সিফাত (২৮) ও শহিদুল ইসলাম আরফাত (২৪)। এস.আই মিনহাজ মাহমুদ ভুঁইয়া জানান, স্থানীয়দের দেয়া সংবাদে লাশ দুটি উদ্ধার করেছি। সদর মডেল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন জানান, সিফাত ও আরফাত শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী। আভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে এ তারা খুন হতে পারেন। সহোদর সিফাত-আরফাত বাহিনীর হাতে জিম্মি ছিল ৭ গ্রামের মানুষ। হত্যা, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজীসহ সিফাতের বিরুদ্ধে ২২টি মামলা ও আরফাতের বিরুদ্ধে ২০টি মামলা রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।