সেবা ডেস্ক: ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভুইয়া স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় পর্বের শেষ ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের কেউ জিততে পারেনি। ১-১ গোলে ড্র করে দুই দলেই পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচ শেষে মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্র ১৪ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলেরর ষষ্ঠ অবস্থানে। অপরদিকে সমান সংখ্যক ম্যাচে নিজেদের ঝুলিতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের সপ্তমে রয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন লিমিটেড।
মঙ্গলবার ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আধিপত্য বেশি বিস্তার করে ব্রদার্স ইউনিয়ন। ২৬ মিনিটেই এগিয়ে যায় অল রেডরা। বক্সের বাইরে থেকে বল নিয়ে এসে সিমন এজিওদিকা দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডান প্রান্ত থেকে আলতো টোকায় গোল পোস্টের দিকে ঠেলে দেন। বল ঢুকে যায় ব্রাদার্সের জালে। উৎসবে মাতে আব্দুল কাইয়ুম সেন্টুর শিষ্যরা।
এরপর থেকেই গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে নীল জার্সিধারীরা। সাফল্য পেতে পারত ৪০ মিনিটেই। বাঁ দিক থেকে অগাস্টিন ওয়ালসনের ভলি করা বলটি বক্সের ভেতর থেকে হেড নাইজেরিয়ান তারকা এনখোচা কিংসলে। বলের লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ফিস্ট করেন গোল রক্ষক মামুন খান।
৫০ মিনিটে আবারো দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রদার্স। শফি’র স্কয়ার পাস থেকে হেড করে কিংসলে। গোলরক্ষক মামুন জায়গা ছেড়ে বের হয়ে গিয়েছিলেন। গোল লাইনে দাড়িয়ে সেভ করলেন মনজুরুর রহমান মানিক। ৫৯ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার বিপুলের লক্ষভ্রষ্ট শট। মিস মুক্তিযাদ্ধার। ৭৫ মিনিটে সমতায় ফেরে নায়েমুদ্দিনের শিষ্যরা।
৭৪ মিনিটে জটলার মধ্য থেকে বল নিয়ে বাঁ পায়ে জোড়ালো শট নিলেন ওয়ালসন। ক্রসবারের কোনায় লেগে বল মুক্তিযোদ্ধার জালে। সমতায় ফেরে ব্রাদার্স।
সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য মুক্তিযোদ্ধার কোচ আব্দুল কাইয়ুম সেন্টু অকপটেই স্বীকার করেছেন যে, তার দল ‘রক্ষণাত্মক’ খেলেছে। সোহেল ও তৌহিদুলের রিপ্লেসমেন্ট ছিল না বলেই তারা ফ্রণ্টলাইনে খেলতে পারেনি। ব্রাদার্সের কোচ সৈয়দ নাইমুদ্দিন খুশি হতে পারেনি দলের খেলোযারদের পারফরমেন্সে। তার মতে, ব্রাদার্সের জিতা উচিত ছিল। কিন্তু বিদেশিরা পুরোপুরি ভালো খেলা খেলতে পারেনি বলেও মনে করেন তিনি।