সেবা ডেস্ক: দুই সপ্তাহের মধ্যে দলের ভেতর ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আর সম্মেলনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ে মহানগর বিএনপির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতি মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
সভায় খালিশপুর থানা নির্বাহী কমিটির সভায় হামলাকারী, খুলনা প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের চরিত্রহরণ, সম্মেলনকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। সভা থেকে শত উস্কানির মুখে আন্দোলন-সংগ্রামের দীর্ঘ পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সত্য ও ন্যায়ের পথে যারা জীবনের সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের ত্যাগ বৃথা যাবে না। সভা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে বেড়ে ওঠা খুলনা মহানগর বিএনপিকে কিছু চক্রান্তকারী দুর্বৃত্তদের হাত থেকে রক্ষার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তৃতা করেন শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, শাহ জালাল বাবলু, রেহানা ঈসা, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ প্রমুখ। অপরদিকে খুলনা মহানগর বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আরিফুর রহমান মিঠু বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আমাদের সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছি। এখন থেকে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি আমরা এক সঙ্গে পালন করব।
উল্লেখ্য, গত ১২ নভেম্বর খুলনা মহানগরীর এক জরুরি সভায় খালিশপুর থানা বিএনপি সভাপতি ও মহানগরী বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আরিফুর রহমান মিঠুসহ ৬জনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকে মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলী আসগর লবীর সমর্থিত গ্রুপ মহানগর কমিটির কার্যক্রম ও থানা সম্মেলন প্রতিহতের ঘোষণা দেয়। এ নিয়ে খুলনা বিএনপির মঞ্জু ও লবী গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।