সেবা ডেস্ক: বিভিন্ন দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে।
মওলানা ভাসানী দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য সারা জীবন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন। তিনি ছিলেন সামন্তবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী কণ্ঠ।
৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে মওলানা ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা জানান, এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা করা হয়। ভাসানীর মাজারে সকাল সাড়ে সাতটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে ভাসানীর পরিবারসহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এছাড়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু প্রমুখ মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ইন্তেকাল করেন। আবদুল হামিদ খান ভাসানী বিশ শতকে ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের অন্যতম নায়ক। দেশের মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসাবে সমধিক পরিচিত ছিলেন তিনি।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ভাসানী। তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশীরভাগ সময় মাওপন্থী কমিউনিস্ট তথা বামধারা রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তার অনুসারীদের অনেকে এজন্য তাকে 'লাল মওলানা' নামেও ডাকতেন। -বাসস।