ডাঃ জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ ১৫.১১.২০১৬
বাংলার কৃষিজীবী সমাজে শস্য উৎ্পাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয়, নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। ‘নবান্ন’ শব্দের অর্থ নতুন অন্ন। নবান্ন উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি।
কুড়িগ্রামে গতকাল মঙ্গলবার পহেলা অগ্রহায়ণ, জাতীয় নবান্ন উৎসব ১৪২৩ উদযাপিত হয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজনে এবং উদযাপন পর্ষদ- কুড়িগ্রাম পৌরসভার সহযোগীতায় জাতীয় নবান্ন উৎসবে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদড়্গিণ শেষে কুড়িগ্রাম পৌরসভা প্রাঙ্গনে মেয়র আব্দুল জলিল’র সভাপতিত্বে সংড়্গিপ্ত আলোচনা সভা, মুড়ি-মুড়কি-বাতাসা ও পিঠা সহ নতুন ধানে তৈরি বিভিন্ন খাদ্য স্টোল পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক খান মো: নুরম্নল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মো: রফিকুল ইসলাম সেলিম, রাজস্ব মো: দেলোয়ার হোসেন, সদর ইউএনও মো: আমিন আল পারভেজ, এ্যাড আব্রহাম লিংকন, তথ্য অফিসার মো: শাহজাহান আলী, জেলা শিড়্গা অফিসার মোসলেম উদ্দীন, প্রাথমিক শিড়্গা অফিসার মো: এনামুল হক প্রমুখ।
বক্তব্যে জেলা প্রশাসক খান মো: নুরম্নল আমিন বলেন, এ অসাধারণ দিনকে আরও অসাধারণ করতে আগত সবাই নিই নব অঙ্গীকার, ‘একটি শানিত্মময় দেশ গড়ার’ এবং বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে আমরা সকলেই সার্বিক সহযোগীতা করব।
পৌর মেয়র আব্দুল জলিল বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবারেই প্রথম নবান্ন উৎসবকে জাতীয়ভাবে পালনের ঘোষণা করেছেন, আমরা তার এ পদড়্গেপকে সাধুবাদ জানাই। সেই সাথে দেশ উন্নয়নে সরকারের সকল কার্যক্রমে সকলকে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
উৎসবে ছিল সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, নবান্ন শোভাযাত্রা, বিভিন্ন পরিবেশনা, ঢাক-ঢোলের বাদন আর মুড়ি-মুড়কি-বাতাসা ও পিঠার আয়োজন।
সার্বিক তথ্যাবধানে কাউন্সিলর রোসত্মম আলী তোতা, মাসুদ, আ: মালেক সহ পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ব্যাপক ভুমিকা রাখেন
বাংলার কৃষিজীবী সমাজে শস্য উৎ্পাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয়, নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। ‘নবান্ন’ শব্দের অর্থ নতুন অন্ন। নবান্ন উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি।
কুড়িগ্রামে গতকাল মঙ্গলবার পহেলা অগ্রহায়ণ, জাতীয় নবান্ন উৎসব ১৪২৩ উদযাপিত হয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজনে এবং উদযাপন পর্ষদ- কুড়িগ্রাম পৌরসভার সহযোগীতায় জাতীয় নবান্ন উৎসবে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদড়্গিণ শেষে কুড়িগ্রাম পৌরসভা প্রাঙ্গনে মেয়র আব্দুল জলিল’র সভাপতিত্বে সংড়্গিপ্ত আলোচনা সভা, মুড়ি-মুড়কি-বাতাসা ও পিঠা সহ নতুন ধানে তৈরি বিভিন্ন খাদ্য স্টোল পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক খান মো: নুরম্নল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মো: রফিকুল ইসলাম সেলিম, রাজস্ব মো: দেলোয়ার হোসেন, সদর ইউএনও মো: আমিন আল পারভেজ, এ্যাড আব্রহাম লিংকন, তথ্য অফিসার মো: শাহজাহান আলী, জেলা শিড়্গা অফিসার মোসলেম উদ্দীন, প্রাথমিক শিড়্গা অফিসার মো: এনামুল হক প্রমুখ।
বক্তব্যে জেলা প্রশাসক খান মো: নুরম্নল আমিন বলেন, এ অসাধারণ দিনকে আরও অসাধারণ করতে আগত সবাই নিই নব অঙ্গীকার, ‘একটি শানিত্মময় দেশ গড়ার’ এবং বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে আমরা সকলেই সার্বিক সহযোগীতা করব।
পৌর মেয়র আব্দুল জলিল বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবারেই প্রথম নবান্ন উৎসবকে জাতীয়ভাবে পালনের ঘোষণা করেছেন, আমরা তার এ পদড়্গেপকে সাধুবাদ জানাই। সেই সাথে দেশ উন্নয়নে সরকারের সকল কার্যক্রমে সকলকে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
উৎসবে ছিল সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, নবান্ন শোভাযাত্রা, বিভিন্ন পরিবেশনা, ঢাক-ঢোলের বাদন আর মুড়ি-মুড়কি-বাতাসা ও পিঠার আয়োজন।
সার্বিক তথ্যাবধানে কাউন্সিলর রোসত্মম আলী তোতা, মাসুদ, আ: মালেক সহ পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ব্যাপক ভুমিকা রাখেন
