অতিথি পাখির আগমনে মুখরিত জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

Nuruzzaman Khan
সেবা ডেস্ক:  প্রতিবছর শীতকাল এলেই জলাশয়, বিল, হাওড়, পুকুর ভরে যায় নানা রংবেরঙের নাম না জানা পাখিতে। আদর করে আমরা সেগুলোকে বলি অতিথি পাখি। নাম অতিথি হলেও এই পাখিরা ঝাঁকে ঝাঁকে আমাদের দেশে হাজির হয় নিজেদের জীবন বাঁচাতে।
 
অতিথি পাখিদের অন্যতম মৌসুমি আশ্রয়স্থল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জলাশয়। ইতোমধ্যে স্থানগুলো অতিথি পাখিতে ভরে গেছে। পাখি দেখতে ক্যাম্পাসে ভীড় করছেন অনেক পাখিপ্রেমী।
ক্যাম্পাসের ছোট ও বড় আকারের জলজ পদ্ম সুশোভিত লেকে ৭০ প্রজাতির শত শত অতিথি পাখির আগমন ঘটেছে। কুয়াশাচ্ছন্ন ও শীতের আবহাওয়ায় সবুজে সুশোভিত বিশাল এই এলাকা অতিথি পাখিদের কলরব পাখিপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখছে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্র জানান, গত কয়েক দিন ধরে ক্যাম্পাসে আকাশে এবং জলাশয়ে অতিথি পাখির আগমন দেখতে পাচ্ছি। জাহানারা ইমাম হলের পাশে, প্রশাসনিক ভবনের সামনে এবং সুইমিংপুলের পাশের জলাশয়ে পাখিরা উড়ছে, জলকেলিতে মুখরিত করে তুলছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা ফিরোজ বলেন, সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, জিনজিয়াং এবং অন্যান্য স্থান থেকে প্রতিবছর ৭০ থেকে ৭৫ প্রজাতির শীতের অতিথি পাখি প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ও ঘন কুয়াশার বৈরি আবহাওয়া থেকে রক্ষা পেতে এখানে চলে আসে।
 
তিনি বলেন, বিভিন্ন বছর অতিথি পাখির সংখ্যার তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। অতিথি পাখিদের বেশিরভাগ হাঁস জাতীয়, শরালি, পোচার্ড, ফ্লাইক্যাচার, চক্রবাক এবং কোম্ব ডাক।
 
শীতের শুরুতে উত্তর গোলার্ধে ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে অতিথি পাখিরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশগুলোতে চলে আসে। বাসস
ট্যাগস

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top