সেবা ডেস্ক: বাংলাদেশের বিশাল কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং মত্স্য ও প্রাণীসম্পদ খাতে যৌথ উদ্যোগে চীনের বিনিয়োগ উন্নত প্রযুক্তি সহায়তা চান এদেশের উদ্যোক্তারা। সেই সঙ্গে অন্যান্য খাতেও চীনকে প্রযুক্তি সহায়তার পাশাপাশি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তারা।
বুধবার ঢাকা সফররত চায়না কাউন্সিল ফর প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের নেতৃবৃন্দের বৈঠকে বাংলাদেশের কৃষি খাতের উদ্যোক্তারা এ আহ্বান জানান। রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ। সিসিপিআইটি সিচুয়ান কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি লি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে আব্দুল মাতলুব আহমাদ বাংলাদেশে কৃষি খাতের বিনিয়োগের বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরেন। কৃষি খাতে সরকারের দেয়া ভর্তুকি, উন্নত বীজসহ স্বল্প ঋণের সুদ, সার প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, ফসলের বহুমূখীকরণ, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিপণন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাসহ বেশকিছু উদ্যোগ তুলে ধরেন। এছাড়া সরকারের ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি চীনকে দুটি অঞ্চল দেয়ার কথাও জানান।
তিনি বলেন, সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে চট্টগ্রামের একটি ইকোনমিক জোন দেয়া হয়েছে। কৃষি খাতে চীনের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহায়তা পাওয়া গেলে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে। এ সময় তিনি উভয় দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের উপর জোর দেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের চীনে ৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা সুবিধা দেয়া, চীনের গুরুত্বপূর্ণ শহরের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি বিমান চলাচল সুবিধা চালু করার প্রয়োজনের কথা বলেন তিনি।
সিসিপিআইটি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট লি লি প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মত দেন। তিনি বলেন, কৃষি, মত্স্য ও প্রাণী সম্পদ এবং পোল্ট্রি খাতে চীনের বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
এফবিসিসিআই সহ-সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ছাড়াও এ সময় এফসিসিসিআইয়ের একাধিক পরিচালক ও কৃষি খাতের উদ্যোক্তারা বক্তব্য দেন।
