সাঁওতালদের ‌‘বাঙালি দুষ্কৃতকারী’ বলায় গাইবান্ধার ডিসিকে তলব

Unknown
সেবা ডেস্ক:  সাঁওতালদের ‘বাঙালি দুষ্কৃতকারী’ হিসেবে উল্লেখ করায় গাইবান্ধার ডিসি ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহম্মদ আবদুস সামাদকে তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী ১২ ডিসেম্বর তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে এই শব্দ চয়নের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
 
গাইবান্ধার সাহেবগঞ্জে সুগারমিলের অধিগ্রহণ করা জমিতে আখ মাড়াইকে কেন্দ্রে করে সাঁওতাল ও পুলিশের মধ্যে সংগ্রহ করে। ঐ ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গুলিবর্ষণের বিষয়ে আদালতে একটি প্রতিদেন দেয় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
 
প্রতিবেদনে  বলা হয়, গত ৬ নভেম্বর গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রংপুর সুগার দিশের ইক্ষু মাড়াই কর্মসূচি চলাকালে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য-বাঙালি দৃষ্কৃতকারীরা পুলিশ সদস্যসহ চিনিকল কৃর্তৃপেক্ষর ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। সৃষ্ট ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য ও বাঙালি দুষ্কৃতকারীদের ছত্রভঙ্গ করা, সরকারি অস্ত্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের জানমাল রক্ষায় শর্টগানসহ চায়না রাইফেল নিয়ে পাঁচ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করা হয়েছে মর্মে গাইবান্ধার জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। গুলিবর্ষণের ঘটনার বিষয়ে নির্বাহী তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
 
হাইকোর্টে প্রতিবেদনে উপস্থাপনের পর ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠীর সদস্যরা ‘বাঙালি দুষ্কৃতকারী’ শব্দ চয়নের বিষয়ে হাইকোর্টে নজরে আসে। এরপরই আদালত ডিসিকে তলব করে। একই সঙ্গে এই সংর্ষের ঘটনায় স্বপন মুর্মু নামে যে সাঁওতাল মামলা করেন তাকে হাইকোর্টে হাজির করতে পুলিশ সুপার ও গাইবান্ধা থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।  
 
রিটকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top