সেবা ডেস্ক: ৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার নিজামউদ্দিনের অনুসারী তাবলিগের মুরুব্বি ও আলমি শুরাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় বিশ্ব ইজতেমার দায়িত্বপ্রাপ্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটির মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ইজতেমা ময়দানের কাজ ও শৃংঙ্খলা বিষয়ে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ও তাবলিগ জামাতের উভয় পক্ষের মুরুব্বিদের নিয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্তগুলো পাকাপাকি করে লিখিত হয়।
উভয় পক্ষের সাথীদের মিলেমিশে ময়দানের প্রস্তুতির কাজ করলে বিরোধ ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় শুধু আলমী শুরার তাবলিগের সাথীরা ময়দান প্রস্তুতের খেদমতে যুক্ত থাকবে। ইজতেমার পরে আলোচনা সাপেক্ষে নিজাম উদ্দিনের অনুসারী সাথীরা ময়দানের কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র জানান, নানা রকম বিশৃংঙ্খলার শঙ্কা, হতাশা ও দ্বিধা দূর করতে মুরুব্বিরা প্রশাসনের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে শনিবার আসরের মধ্যে আলমী শুরারা তাদের ইজতেমা সমাপ্ত করবেন।
নিজামউদ্দিন এর অনুসারী তাবলিগের সাথীরা নজমের জিম্মাদার সাথী শনিবার রাতে ময়দানে আসবে এবং শুরাওয়ালাদের কাছ থেকে নজম বুঝে নিবেন বাকি নিজামুদ্দিনের এস্তেমার মজমা রবিবার ফজর থেকে ইনশাআল্লাহ ময়দানে আসবে। নিজামুদ্দিনের অনুসারীরাও মঙ্গলবার জহুরের আগে বিশ্ব এস্তেমার আখেরি মোনাজাত করবেন।
আলমী শুরার অনুসারীরা শনিবার সন্ধ্যায় অল্প সময়ের মধ্যে ইজতেমার ময়দান ছেড়ে চলে যাবেন। শুরাওয়ালাদের বিদেশি মেহমানরা শনিবার রাতে হজক্যাম্প, কাকরাইল মসজিদসহ উত্তরার কোনো কোনো মসজিদে অবস্থান করবেন। আর ময়দানে চিল্লার জন্য জামাতবন্দী সাথীরা টঙ্গী, উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন মসজিদে শনিবার রাতের জন্য রোখ করবেন। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন এলাকায় জামাত চলে যাবেন।
ময়দানের এস্তেমায়ী সামানা সহ ময়দানের প্যান্ডেল সম্পুর্ন অক্ষত ভাবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে শুরাওয়ালারা নিজামুদ্দিনের অনুসারী নজমের জামাতকে শনিবার রাতে বুঝিয়ে দিবেন।
শনিবার রাত ১২ টার পরে শুরাওয়ালা কোন ব্যাক্তি ময়দানে থাকলে তাকে প্রশাসন আইনের আওতায় নিবেন।*
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক


খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।