
সেবা ডেস্ক: ২০১৮-১৯ অর্থবছরের নয় মাসে ৬৮ হাজার কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। এই হিসেব গত বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ১৩ শতাংশ বেশি।
এই সময়ে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে যে পরিমাণ অর্থ ধার করার লক্ষ্য ধরেছিল, তার চেয়েও ৫২ শতাংশ বেশি নিয়ে ফেলেছে নয় মাসেই।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে সব মিলিয়ে ৬৮ হাজার ২৫৮ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৬০ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। এ হিসাবে জুলাই-মার্চ সময়ে গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে সঞ্চয়পত্রের মোট বিক্রি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫২ শতাংশ।
জুলাই-মার্চ সময়ে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে জুলাই-মার্চ সময়ে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৯ হাজার ৭৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে।
এবারের বাজেটে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ঋণ বা ধার করার লক্ষ্য ঠিক করেছিল। এ হিসাবেই অর্থবছরের নয় মাসেই সঞ্চয়পত্র থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও প্রায় ৫২ শতাংশ বেশি অর্থ ধার করে ফেলেছে সরকার।
পুঁজিবাজারের অস্থিরতা আর ব্যাংকে আমানতের সুদের হার কম থাকায় গত কয়েক বছর ধরেই সঞ্চয়পত্র সাধারণের কাছে ‘বিনিয়োগের নিরাপদ ক্ষেত্র’ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহার কিছুটা বাড়ানোর পরও সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমেনি বরং বাড়ছে।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।