
জামালপুর সংবাদদাতা : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির আরো ভয়াবহ রুপ ধারন করেছে। জেলার সাতটি উপজেলায় ৫২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে ।
গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি ২৫সেন্টিমিটার বেড়ে বুধবার সকালে যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় জেলার ৫২ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে পুকুরের মাছের , গরুর খাবার, বির্স্তিণ ফসলেন মাঠ। সড়কগুলো পানিতে ডুবে যাওয়া যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।দেওয়ানগঞ্জ রেল স্টেশনে পানি উঠায় রেল চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারনে বন্যা কবলিত এলাকায় ৫৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে, জামালপুরে বন্যা কবলিত এলাকায় প্লাবনের দুর্গতিতে আছে ৭৮ হাজার পরিবারের ৫লাখের অধিক মানুষ। এদিকে পানি বাড়ার সাথে সাথে শুকনো খাবারের তীব্র অভাবের পাশাপাশি শিশু খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে । কিছু এলাকায় দেখা দিয়েছে চর্ম রোগ এবং শিশুদের সর্দি জ্বর।
বন্যা কবলিত মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে ,তাদের বাড়ীঘর পানিতে ডুবে যাওয়া পরিবারের সদস্য ও গরু ছাগল নিয়ে উচুঁ জায়গায় আশ্রয়ের জন্য দিক-বেদিক ছুটাছুটি করছে ।আর অধিকাংশ মানুষ বলছে তারা দুদিন থেকে চুলাই জ¦ালাতে পারেনি , পেটে কোন খাবার নেই । সরকারের কাছে দ্রæত খাবারের জন্য আবেদন জানিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত অসহায় মানুষদের জন্য ৬শত৫০ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ৯লাখ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে। এছাড়াও বন্টন করেছে ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, জেলায় ১৪টি করে মেডিকেল টিম দেওয়া আছে।
মো:শফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) জানিয়েছেন, বন্যায় যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রশাসন প্রস্তুত ও সার্মথ আছে ।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।