
মাহবুবুর রহমান জিলানী, গাজীপুর : বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় (গাজীপুর-২) করোনা সময়ে ঘরবন্দী মানুষের মাঝে প্রথম ধাপে ২০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা শেষে আরো ৩০ হাজার পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া শুরু করেছেন।
নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার, দুস্থ-অসহায়, ও দিনমজুরদের মাঝে এসব খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রীর ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ২ কেজি পেঁয়াজ, ২ লিটার তেল, একটি সাবান এবং ২টি করে মাস্ক রয়েছে।
এসব খাদ্য সহায়তা প্রতিদিন প্যাকেটজাত করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের মাধ্যমে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী রাসেল বলেন, যতদিন না করোনার স্বাভাবিক অবস্হা ফিরে আসবে ততদিন পর্যন্ত গাজীপুর-২ আসনে আমার পক্ষ থেকে দুস্থ অসহায় পরিবার গুলোর মাঝে এ খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, এখানকার একটি মানুষ না খেয়ে থাকবে না। প্রতিটি অসহায়, দরিদ্র ও খেটে খাওয়া কর্মহীন পরিবারের সদস্যরা খাদ্য পাবে এবং সবাই নিরাপদে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এখন সব মানুষ ঘরে অবস্থান করছেন।
ঘরে অবস্থান করতে গিয়ে খেটে খাওয়া, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এসব মানুষদের প্রতি পরিবারে ১৩ কেজির খাদ্য সহায়তার প্যাকেজ ৫০ হাজার পরিবারের মাঝে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী রাসেল আরো বলেন, আমার ত্রাণের বরাদ্দ গুলো দেয়ার ক্ষেত্রে কারো কাছে যেন ভোটার আইডি কার্ড চাওয়া না হয় সে ব্যাপারে নেতা কর্মীদের পূর্ব নির্দেশনা দেয়া রয়েছে।
গাজীপুর-২ আসনে সবার জন্য তাঁর এ খাদ্য সহায়তা উম্মুক্ত আছে বলে তিনি জানান।
দ্বিতীয় ধাপে ৩০ হাজার পরিবারে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী রাসেল নিজে জনকণ্ঠকে নিশ্চিত করে বলেছেন, কেউ ত্রাণ সামগ্রী এখনও পর্যন্ত পেয়ে না থাকলে তাঁর চাচা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতির টঙ্গীর নোয়াগাঁওয়ের বাস ভবনে যোগাযোগ করে নিয়ে যেতে পারবেন।
তিনি আরো জানান, ৫০ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা শেষে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে তৃতীয় ধাপের খাদ্য সহায়তায় আরো ৩০ হাজার পরিবারকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং তা পর্যায়ক্রমে এক লাখ পরিবারে উন্নীত করা হবে।
