
মো. শাহ্ জামাল, জামালপুর: ঘটনাস্থল জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের দেওয়ানীপাড়ায়। গত সপ্তাহের ১৭ এপ্রিল মুকছেদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা অনাহারে থাকার কথা জানিয়ে ফোন দিয়েছিলেন জামালপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হককে। ১৯ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াছমিন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মঞ্জুকে পাঠিয়ে ছিলেন মাসুদ রানার গ্রামের বাড়ি দেওয়ানীপাড়ায়। মাসুদ রানার পরিবারকে ত্রাণ দেওয়ার আশ^াস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনোও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বা কোন ধরনের খাবার পৌছেনি সেই মাসুদ রানা পরিবারে।
শনিবার ২৫ এপ্রিল সাংবাদিকরা কিছু খাদ্যসামগ্রী পৌছে দেয় মাসুদ রানার বাড়িতে। করোনার প্রভাব, অন্যদিকে মুসলমানদের শুরু হয়েছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। এই রমজানে কিভাবে সেইরী করেছেন আর কিভাবে ইফতার কবরেন সেই কথা জানিয়েছেন মাসুদ রানার বাবা মুকছেদ আলী ও তার মা মালা বেগম।
মালা বেগম জানান, ছয় জনের পরিবার। ভুমিহীন অন্যের বাড়ীতে থাকতে হয় তাদের । ঘরে বিবাহযোগ্য প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে। মেয়েটিরও নেই কোন প্রতিবন্ধী কার্ড। বিভিন্ন সময়ে অনেকের ধরনা নিয়ে দিয়েও কোন কার্ড পায়নি। মাসুদের পরিবারে ত্রাণ বিতরনের বিষয়ে ওই ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার আলাল উদ্দিন চিরাচরিত স্বভার সুলভ ভঙ্গিতে জানান, মাসুদ এখনো কোন কাগজপত্র নিয়ে মেম্বার আলাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করেনি তাই তিনি এখনো ত্রাণ দিতে পারেনি। মেম্বার প্রসঙ্গে মাসুদ জানান, মেম্বার আলাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কাগজপত্র তার কাছে রয়েছে সিরিয়াল দুইশ থেকে তিনশর দিকে আগে তাদের দেওয়া হবে । পরে তোমাদের দেওয়া হবে । কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মোঃ মাহবুবুর রহমান মঞ্জু মুঠো ফোনে জানান, দেওয়ানীপাড়া মাসুদের পরিবারে আগামী সোমবারে ত্রাণ বিতরন করা হবে।
