
দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধি: একটুখানি বৃষ্টি আসলেই যেনো নর্দমায় পরিণত হয়, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মৌলভীরচর রাস্তার মোক্তারের মোড় হতে হারুন সাংবাদিকের বাড়ী পর্যন্ত।
সরেজমিনে দেখা গেছে রাস্তার , দুপাশের বাড়ির ভিটা উচু হওয়ায় আশেপাশের সব পানি রাস্তায় এসে জমা হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। রাস্তা দোকান ও বাড়ির চেয়ে নিচু হওয়ায় পানি কোন দিকে নামতে পারেনা। বিগত দিন গুলোতে রাস্তার পানি বাজারের রাস্তার উপর দিয়ে গড়িয়ে পুর্ব পাশের জলাশয় জমা হতো। কিন্তু গত কিছুদিন পুর্বে সানন্দবাড়ী বাজারের আরসিসি রাস্তা করায় পানি বের হওয়ার গতিপথ বন্ধ হয়ে যায়।
তাই একটু বৃষ্টি হলেই সর্বক্ষণ পানি জমেই থাকে। গাড়ি ও মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে রাস্তায় হর হামেশাই গাড়ি উল্টে যেতে দেখা যায়।
বৃষ্টির মৌসুম চলার কারনে জনদুর্ভোগ আরও চরম আকার ধারণ করেছে। সর্বক্ষণ যেনো হাটু কিংবা তার চেয়ে উপর পর্যন্ত পানি জমেই থাকায় রাস্তা খানাখন্দে অকেজো হওয়ায় ব্যাটারী চালিত গাড়ি, মটর ও মটর সাইকেল মাঝেমাঝে দুর্ঘটনার কবলে পতিত হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পথচারী বলেন এটাকে জলাবদ্ধতা বললে ভুল হবে, তার চেয়ে রোগ জীবাণুর কারখানা বলা উচিৎ।
এই দুর্ভোগ কমানোর জন্য আশেপাশের দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে স্ব ইচ্ছায় চাঁদা দিয়ে, স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ সিরাজুল ইসলাম এর সহযোগিতায় সাময়িক ভাবে পানি নিষ্কাশনের জন্য সেঁচের ব্যবস্থা করেন।
সারাদিন সেঁচে যতটুকু পানি অপসারণ করা হয় রাতের বৃষ্টিতে তার চেয়ে বেশি পানি জমা হয়।
সানন্দবাড়ী বাজারের মুদি দোকান্দার ইলিয়াস মাহমুদ বলেন, এভাবে আর কতদিন চলবে? আর কতকাল সেঁচতে হবে এ পানি? আর কত কষ্ট করবে এলাকাবাসী? আর কত কাপড় ভিজে চলাচল করবে পথচারী? আর কত কাঁদা যুক্ত থাকবে আশেপাশের লোকজন?
এলাকাবাসীর অতি জরুরী ভিত্তিতে এই সমস্যা সমাধানে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
