পুঁজিবাজারে পতনের ধারা রবিবারও অব্যাহত ছিল। আগের সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রায় ৬৪ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় অবদান ছিল ওষুধ, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জ্বালানি খাতে। এ তিন খাতে লেনদেন হয়েছে ২৩৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫১ শতাংশেরও বেশি।
তথ্যে দেখা গেছে—ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৩৬ কমে ৪ হাজার ৫৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১১ বেড়ে ১ হাজার ৭৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩১২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৮টির, কমেছে ২০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৩১ কমে ১৩ হাজার ৯৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৯ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৪৯টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৫টির কমেছে ১৬৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
ডিএসই জানিয়েছে—পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানি বে-লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টম্যান্টের এক উদ্যোক্তা কোম্পানিটির ৩ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তিনি শেয়ার বিক্রয় সম্পন্ন করবেন। আরেক তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিমা খাতের তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের এক উদ্যোক্তা পরিচালক কোম্পানিটির ৩ লাখ ৬ হাজার ৯৪০টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে শেয়ার বিক্রয় সম্পন্ন করবেন পরিচালকরা।
এ
দিকে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোক্তা
বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছে। এ প্রাতিষ্ঠানিক
উদ্যোক্তা মোট ১১ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার কিনবে।

