খারাপ অবস্থায় থাকা ব্যাংকগুলোর অবস্থার উন্নতি করার উদ্যোগ হিসেবে পরিচালনা পর্ষদকে ব্যাংকের সার্বিক অবস্থা জানাবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারই অংশ হিসেবে বুধবার সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ব্যাংকটির অবস্থা তুলে ধরা হয়। ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পর্ষদের কাছে তথ্য গোপন করছে, এমন তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগ। এ ছাড়া চলতি মাসে জনতা, বেসিক, প্রিমিয়ার, হাবিব ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পর্ষদেও ওই সব ব্যাংকের সার্বিক তথ্য তুলে ধরবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
জানা গেছে, ২০০৭ সালে সোনালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ছিল ৬ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে সরকার সোনালী ব্যাংককে কোম্পানিতে রূপান্তর করে। পরে ২০০৭ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক সোনালী ব্যাংককে লাইসেন্স প্রদান করে। এর পরও বিভিন্ন সময় ব্যাংকটিতে সংঘটিত হয়েছে বিভিন্ন অনিয়ম। এ ব্যাংকের মাধ্যমে হওয়া হলমার্ক কেলেঙ্কারি ব্যাংকিং জগতের সবচেয়ে বড় অনিয়ম। এসব অনিয়মের পরও সরকার এ ব্যাংকের মুলধনের জোগান দিলেও আশানুরূপ উন্নতি হচ্ছে না।
বুধবার সোনালী ব্যাংকের পর্ষদে ব্যাংকটির সার্বিক অবস্থা তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফ সাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক রবিউল হাসান, উপ-মহাব্যবস্থাপক ইব্রাহীম ভুঁইয়া ও যুগ্ম পরিচালক শবরী ইসলাম।

