মেঘনার ভাঙনে দুর্গম চরাঞ্চল চাঁনপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের শতাধিক বসতঘর, বিপুল পরিমাণ ফসলী জমি ও সহস াধিক গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঈদুল আজহার দিন শুক্রবার সকাল ৬টা থেকেই হঠাত্ করে শুরু হয় নদী ভাঙন যা অব্যাহত থাকে পরদিন শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত।
ভাঙনের শিকার পাঁচ শতাধিক মানুষ সহায়-সম্বলহীন অবস্থায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। উপজেলা ও স্থানীয় প্রশাসন রবিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন জানান, ভাঙনে তাদের বাড়িঘর ছাড়াও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ফসলী জমিসহ সহস্রাধিক গাছপালা।
তাড়াহুড়ো করে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের কোনমতে রক্ষা করতে পারলেও রক্ষা করতে পারেননি ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান-চালসহ অন্যান্য মালামাল। ফলে একেবারেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তারা, থাকতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। খবর পেয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার নিয়ে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আফজাল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক আ. ছাদেকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

