হতাশার কোন পর্যায়ে গেলে মানুষ আত্মহত্যার কথা ভাবে সেটা চিহ্নিত হয়েছে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল হতাশাগ্রস্ত মানুষ অতিরিক্ত রাগ প্রকাশ করে এবং বিপদজনক ভাবে গাড়ি ড্রাইভ করে তাদের আত্মহত্যা করার সম্ভাবনা অন্যদের থেকে ৫০ শতাংশ বেশি।
ইউরোপিয়ান কলেজ অব নিউরো সাইকোফার্মাকোলোজির গবেষণায় উল্লেখ্য আচরণগুলো আত্মহত্যা পূর্ব প্রবণতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়, হতাশাগ্রস্ত কোনো ব্যক্তি যদি অকারণে রাগারাগি করে, বিপদজনক ভাবে গাড়ি চালায় বা ঘরের মধ্যে অস্থির ভাবে পায়চারি করে অথবা কোনো কাজের পরবর্তী প্রভাব কী হবে সেটা না ভেবে কাজ করে তাহলে সেটা বিপদজনক। এই ধরণের লক্ষণ প্রকাশকারী মানুষদের শতকরা ৫০ শতাংশ বেশি সম্ভাবনা রয়েছে আত্মহত্যা করার। উল্লেখিত লক্ষণগুলো প্রকাশ করা ব্যক্তিদের বিশেষ ভাবে যত্ন নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব মতে শুধু ২০১২ সালে আট লক্ষ মানুষ আত্মহত্যা করেছিলো।
ইউরোপিয়ান কলেজ অব নিউরো সাইকোফার্মাকোলোজির গবেষণায় উল্লেখ্য আচরণগুলো আত্মহত্যা পূর্ব প্রবণতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়, হতাশাগ্রস্ত কোনো ব্যক্তি যদি অকারণে রাগারাগি করে, বিপদজনক ভাবে গাড়ি চালায় বা ঘরের মধ্যে অস্থির ভাবে পায়চারি করে অথবা কোনো কাজের পরবর্তী প্রভাব কী হবে সেটা না ভেবে কাজ করে তাহলে সেটা বিপদজনক। এই ধরণের লক্ষণ প্রকাশকারী মানুষদের শতকরা ৫০ শতাংশ বেশি সম্ভাবনা রয়েছে আত্মহত্যা করার। উল্লেখিত লক্ষণগুলো প্রকাশ করা ব্যক্তিদের বিশেষ ভাবে যত্ন নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব মতে শুধু ২০১২ সালে আট লক্ষ মানুষ আত্মহত্যা করেছিলো।

