ইউরো ২০১৬ এর চূড়ান্ত পর্বের ঠিক কাছে গিয়ে দাঁড়ালো স্পেন। ম্যাসিডোনিয়ার বিপক্ষে স্কোপজেতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি একটু কষ্টেই জিততে হলো ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। এই জয়ে গ্রুপ 'সি'তে নিকটতম প্রতিপক্ষের চেয়ে দুই পয়েন্ট বেশি নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই থাকলো স্পেন। অপেক্ষাকৃত দূর্বল দল মাঠে নামিয়েও ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্প্যানিয়ার্ডরা।
হুয়ান মাতা আট মিনিটে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন। আর ওই গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। ১০ ম্যাচের আটটি খেলে স্পেনের পয়েন্ট ২১। স্লোভাকিয়ার চেয়ে ২ পয়েন্ট বেশি তাদের। টানা তিনটি ইউরো শিরোপার দিকে চোখ স্পেনের। আর ৯ অক্টোবর লুক্সেমবোর্গের বিপক্ষের ম্যাচ দিয়েই ফ্রান্সের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করতে পারে তারা।
মেসিডোনিয়ার বিপক্ষের ম্যাচের পর হুয়ান মাতা বলেছেন, "তারা আক্রমণাত্মক ছিল। খেলায় ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল। আমরা আমাদের কাজ করেছি।"
শনিবার স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে যে দলটি জিতেছিল তাতে ছয়টি পরিবর্তন এনে একাদশ গড়েছিলেন স্পেনের কোচ ভিসেন্তে দেল বক্স। আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ও সেস ফ্যাব্রেগাস ছিলেন না। দাভিদ দি গিয়া সুযোগ পেয়েছিলেন গোল বারের নিচে। অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াস খেলেন নি।
শুরুতেই লিড পাওয়া স্পেন আক্রমণ করে গেছে। তাদের আক্রমণের তোড়ে বিপর্যস্ত হয় মেসিডোনিয়া। কিন্তু মেসিডোনিয়ার ডিফেন্স প্রতিপক্ষকে গোল পেতে দেয়নি। ফুলব্যাক দানি কারভায়াল একটি গোল প্রায় পেয়ে গিয়েছিলেন। তার বল বারে হাওয়া দিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে মেসিডোনিয়া কিছুটা হুমকি হয়ে ওঠে। ফারহান হাসানির ফ্রি কিক থেকে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। স্পেন এরপর ম্যাচ নেয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে।
হুয়ান মাতা আট মিনিটে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন। আর ওই গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। ১০ ম্যাচের আটটি খেলে স্পেনের পয়েন্ট ২১। স্লোভাকিয়ার চেয়ে ২ পয়েন্ট বেশি তাদের। টানা তিনটি ইউরো শিরোপার দিকে চোখ স্পেনের। আর ৯ অক্টোবর লুক্সেমবোর্গের বিপক্ষের ম্যাচ দিয়েই ফ্রান্সের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করতে পারে তারা।
মেসিডোনিয়ার বিপক্ষের ম্যাচের পর হুয়ান মাতা বলেছেন, "তারা আক্রমণাত্মক ছিল। খেলায় ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল। আমরা আমাদের কাজ করেছি।"
শনিবার স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে যে দলটি জিতেছিল তাতে ছয়টি পরিবর্তন এনে একাদশ গড়েছিলেন স্পেনের কোচ ভিসেন্তে দেল বক্স। আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ও সেস ফ্যাব্রেগাস ছিলেন না। দাভিদ দি গিয়া সুযোগ পেয়েছিলেন গোল বারের নিচে। অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াস খেলেন নি।
শুরুতেই লিড পাওয়া স্পেন আক্রমণ করে গেছে। তাদের আক্রমণের তোড়ে বিপর্যস্ত হয় মেসিডোনিয়া। কিন্তু মেসিডোনিয়ার ডিফেন্স প্রতিপক্ষকে গোল পেতে দেয়নি। ফুলব্যাক দানি কারভায়াল একটি গোল প্রায় পেয়ে গিয়েছিলেন। তার বল বারে হাওয়া দিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে মেসিডোনিয়া কিছুটা হুমকি হয়ে ওঠে। ফারহান হাসানির ফ্রি কিক থেকে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। স্পেন এরপর ম্যাচ নেয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে।
