ডাঃ জি এম
ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও
ধরলা নদীর
পানি সামান্য
হ্রাস পেলেও
বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায়
জেলার সার্বিক
বন্যা পরিসি'তি অপরিবর্তিত
রয়েছে। খাদ্য
ও বিশুদ্ধ
পানির অভাবে
দুর্ভোগ বেড়েছে
৬ লক্ষাধিক
বানভাসীর। নৌকা, কলাগাছের ভেলা ও
বাঁশের মাচানে
আশ্রয় নিয়ে
মানবেতর জীবন-যাপন করছে
হাজার হাজার
বানভাসী। বন্যা
কবলিত এলাকায়
দেখা দিয়েছে
পানিবাহিত রোগ। গো-খাদ্যের তীব্র
সংকট দেখা
দেওয়ায় গবাদি
পশু নিয়ে
বিপাকে পড়েছে
বানভাসীরা।
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার
নয়ার চরের
আমেনা বেগম
জানান, ১৫-১৬ দিন
থেকে দুর্ভোগে
আছি। ছোওয়া-পোয়াক খাওয়াইতে
পারি না।
রান্না করতে
পারি না।
ঘরত খাবার
নাই। কোন
বার এতদিন
পানিতে বাড়ী-ঘর তলিয়ে
থাকে এর
আগে দেখি
নাই।
টানা বন্যার পানিতে
প্লাবিত হয়ে
আছে জেলার
২ হাজার
১শ বর্গকিলোমিটার
এলাকার ৬৮
ইউনিয়নের ৬
শতাধিক গ্রাম।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস' হয়ে
পড়েছে রৌমারী,
রাজিবপুর, উলিপুর, চিলমারী ও সদর
উপজেলা। রৌমারী
উপজেলার ৩
টি বাধ
ও ২টি
পাকা সড়ক
ভেঙ্গে যোগাযোগ
ব্যবস'া
বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
জেলার ৯ উপজেলার
৫০ হাজার
হেক্টর জমির
রোপা আমন
সম্পুর্ণ রুপে
পানিতে তলিয়ে
আছে।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের
উপ-পরিচালক
মোঃ শওকত
আলী জানান,
৫০ হাজার
হেক্টরের মধ্যে
৩৬ হাজার
হেক্টর জমির
আমন ক্ষেত
সম্পুর্ণরুপে নষ্ট হয়ে গেছে।
জেলা প্রশাসক খান
মোঃ নুরুল
আমিন জানান,
বানভাসীদের জন্য এ পর্যন্ত ৩০০
মেট্রিক টন
চাল ও
১০ লাখ
৫০ হাজার
টাকা বরাদ্দ
দেয়া হয়েছে।
স'ানীয় পানি
উন্নয়ন বোর্ডের
নির্বাহী প্রকৌশলী
মাহফুজুর রহমান
জানায়, গত
২৪ ঘন্টায়
চিলমারী পয়েন্টে
ব্রহ্মপুত্রের পানি ২ সেন্টিমিটার হ্রাস
পেয়ে বিপদসীমার
৩৮ সেন্টিমিটার
এবং সেতু
পয়েন্টে ধরলা
নদীর পানি
১৭ সেন্টিমিটার
হ্রাস পেয়ে
বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে
প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে ত্রান ও
দুর্যোগ ব্যবস'াপনা মন্ত্রী
মোফাজ্জল হোসেন
চৌধুরী মায়া
মঙ্গলবার সকাল
সাড়ে ৯
টায় হেলিক্যাপ্টার
যোগে এসে
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার বন্যা কবলিত
এলাকা পরিদর্শন
ও ত্রান
বিতরনের কথা
থাকলেও তিনি
আসেননি।

