ডাঃ জি এম
ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ
প্রেম করে বিয়ে
অতঃপর যৌতুকের
দাবিতে স্বামীর
নির্যাতনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়ছে কিশোরী
বৃষ্টি আক্তার
(১৮)।
উলিপুর স্বাস'্য কমপ্লেক্সে
বাক রুদ্ধ
অচেতন অবস'ায় এক
সপ্তাহ ধরে
চিকিৎসাধীন বৃষ্টি আক্তারের গলাসহ সমস্ত
শরীরের মারাত্ম
সব আঘাতের
চিহ্ন
বলে দেয়
এছিল হত্যার
প্রচেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের উলিপুর
উপজেলার পান্ডুল
ইউনিয়নের আপুয়ার
খাতা গ্রামে।
উলিপুর স্বাস'্য
কমপ্লেক্সে ২নং কেবিনে বিছানায় অচেতন
মুমুর্ষ বৃষ্টির
পিতা মোঃ
এরশাদুল হক
বয়তাল জানান,
প্রেম করে
একই গ্রামে
মশিউর রহমান
চাদ মন্ডলের
ছেলে মেহেদী
হাসান রনি
(২২) এর
সাথে বৃষ্টির
বিয়ে হয়
০৭ মাস
আগে। ১/২ মাস
যেতে না
যেতেই ১০
লক্ষ টাকা
যৌতুকের দাবীতে
শুরু হয়
মেয়ের উপর
অমানুষিক নির্যাতন।
গত- ৩১
আগষ্ট/১৫
আমি আমার
স্ত্রীর চিকিৎসার
জন্য রংপুর
যাওয়ায় বাড়িতে
আমার মেয়ে
কে একা
পেয়ে অভিযুক্ত
মেহেদী হাসান
রনি তার
মা এবং
পিতা মিলে
আমার বাড়িতে
রাত ১০টার
পর প্রবেশ
করে। এরপর
সমস্ত শরীরে
নির্যাতনের পর হত্যার উদ্দেশ্যে গলায়
ওড়না প্যাচিয়ে
অচেতন করে
মমুর্ষ অবস'ায় ফেলে
রেখে যায়।
পরে আবার
মারা গেছে
কি না
নিশ্চিত হওয়ার
জন্য দেখতে
এলে পাশের
বাড়ীর মহিলা
ছকিনা বেগম
মেহেদী হাসান
রনিসহ কয়েকজন
কে দেখে
ফেলে এবং
গলায় ওড়না
প্যাচানো অবস'ায় মৃত
প্রায় বৃষ্টিকে
উদ্ধার করে
উলিপুর স্বাস'্য কমপ্লেক্সে
নিয়ে আসে।
বর্তমানে বৃষ্টি
অবস'া
আশংকা জনক।
উলিপুর উজেলা
স্বাস'্য
কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস'্য ও পরিবার পরিকল্পনা
কর্মকর্তা ডা. অজয় কুমার রায়
জানান রোগী
মানুষিক ভাবে
বিপর্যস্ত। রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য
রেফার্ড করা
হবে। এব্যপারে
উলিপুর উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তার
মাধ্যমে থানায়
একটি অভিযোগ
দায়ের করা
হয়েছে। অভিযোগের
পর মেহেদী
হাসান রনির
পরিবারের সকলে
পলাতক রয়েছে।

