তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় সমুদ্রসৈকতে উদ্ধার হওয়া সিরীয় শরণার্থী শিশুটির মরদেহের হƒদয়বিদারক ছবিটিই যেন এখন শরণার্থীদের ভয়াবহতার ‘প্রতীক’। মানবতার বিপর্যয় কোন পর্যায়ে পৌঁছলে এমনটি হতে পারে তা আইলান কুর্দির নিথরদেহের ছবিই বড়ো সাক্ষী। পশ্চিমা দেশগুলো নানাভাবে ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে। সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়াসহ সব দেশই জ্বলছে গৃহযুদ্ধের আগনে। সেব দেশের সাধারণ নিরীহ মানুষের জীবন এখন চরম দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। অনেকে সহায়-সম্পদ এমনকি প্রাণটি পর্যন্ত হারিয়েছেন। যারা কোনো রকমে বেঁচে আছেন তারা প্রাণ হাতে নিয়ে ছুটে চলেছেন নানা প্রান্তে। এঁদের কেউ কেউ উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপের দেশ গুওলোতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। কিন্তু ইউরোপ এসব অসহায় মানুষদের গ্রহণে নারাজ। এসব সহায়-সম্বলহারা মানুষদের সাথে তারা অমানবিক আচরণ করছে। মানবিক আশ্রয়ও দিচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত অনেকে জীবন বাজি রেখে সমুদ্রপথে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন ইউরোপের দেশগুলোতে। তবে, তাদের বেশিরভাগেরই সলিলসমাধি ঘটে। যারা কোনো রকমে বেঁচে যান তারাও কাক্সিক্ষত দেশে পৌঁছার সুযোগ পান না। তাদের ঠিকানা হয় কারাগারে। পশ্চিমাদের এ ধরনের নিষ্ঠুরতার
