নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের চারালকাটা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর সুমন মিয়ার (২০) লাশ উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে চার কিলোমিটার ভাটিতে (নিখোঁজের স্থান থেকে) একই ইউনিয়নে নদীর উত্তর দুরাকুটি ঘাট নামক এলাকা থেকে স্থানীয়রা তার লাম উদ্ধার করে।
এলাকাবাসী জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে তিন বন্ধু মিলে গ্রামের চারালকাটা নদীতে গোসল করতে নামেন একই ইউনিয়নের নয়নখাল গ্রামের জোনাব আলীর ছেলে সুমন মিয়া। এসময় নদীর তীব্র স্রোতে তলিয়ে যান তারা। অপর দুই বন্ধু জাহাঙ্গির মিয়া (১৯) ও খায়রুল ইসলাম (১৮) সাতরিয়ে ডাঙ্গায় উঠতে পারলেও সুমন মিয়া নিখোঁজ হন। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে ওই নদীর উত্তর দুরাকুটি ঘাট নামক এলাকা থেকে সুমনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এর আগে স্থানীয়দের পাশাপাশি রংপুর দমকল বাহিনীর ডুবুরী দল উদ্ধার তৎপরতা চালালেও সন্ধান মেলাতে পারেনি সুমনের।
বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহ জানান, সুমন গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে চারালকাটা নদীতে গোসল করতে নেমে তীব্র স্রোতে হারিয়ে যায়। এরপর শুক্রবার বিকেল চারটায় তার লাশ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মনসুর আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এলাকাবাসী জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে তিন বন্ধু মিলে গ্রামের চারালকাটা নদীতে গোসল করতে নামেন একই ইউনিয়নের নয়নখাল গ্রামের জোনাব আলীর ছেলে সুমন মিয়া। এসময় নদীর তীব্র স্রোতে তলিয়ে যান তারা। অপর দুই বন্ধু জাহাঙ্গির মিয়া (১৯) ও খায়রুল ইসলাম (১৮) সাতরিয়ে ডাঙ্গায় উঠতে পারলেও সুমন মিয়া নিখোঁজ হন। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে ওই নদীর উত্তর দুরাকুটি ঘাট নামক এলাকা থেকে সুমনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এর আগে স্থানীয়দের পাশাপাশি রংপুর দমকল বাহিনীর ডুবুরী দল উদ্ধার তৎপরতা চালালেও সন্ধান মেলাতে পারেনি সুমনের।
বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহ জানান, সুমন গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে চারালকাটা নদীতে গোসল করতে নেমে তীব্র স্রোতে হারিয়ে যায়। এরপর শুক্রবার বিকেল চারটায় তার লাশ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মনসুর আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
