টানা বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর অববাহিকায় নতুন করে আবারো বন্যা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার (৫২দশমিক ৪০) ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন চর ও গ্রাম নতুন করে পুনরায় বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ টি গেট খুলে রাখা হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন রোডের বন্যা পুর্বাভাস ও সর্তকীকরণ কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চল ও চরের ২৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, আশ্বিন মাসের সৃষ্ট বন্যায় এলাকাবাসীকে নানান দুর্ভোগে ফেলেছে। এ ছাড়া ফসলের মারাত্নক ক্ষতি হচ্ছে।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি এলাকার গত বন্যায় বিধ্বস্থ ক্রসবাঁধ দিয়ে পানি হুহু করে গ্রামে প্রবেশ করে শত শত পরিবারের ঘরবাড়ি কোমর পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।
এ ছাড়া নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে এক ও দুই নম্বর ওয়াডের ৩২ টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে অন্যত্র সরে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এর আগের বন্যা ও নদী ভাঙ্গনে আরো ৪১ পরিবারের ঘরবাড়ি সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।
ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন জানান, ওই এলাকায় তিস্তার বন্যার পাশাপাশি নদী ভাঙ্গনে মানুষজনের ভিটা যেমর বিলিন হচ্ছে তেমনি সেখানকার সীমান্তের চরখড়িবাড়ি বিজিবি ক্যাম্প ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদী ভাঙ্গনে হুমকীর মুখে পড়েছে। ওইসব ক্যাম্প ও বিদ্যালয়ের ভেতর দিয়েও তিস্তার বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
অপর দিকে ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই-খগাখড়িবাড়ি-গয়াবাড়ি-খালিশাচাঁপানী-ঝুনাগাছ চাঁপানী-জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি-গোলমুন্ডা-শৌলমারী ও কৈমারী এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছে উজানের ঢলে তিস্তার বন্যায় তাদের এলাকার নদী বেষ্টিত প্রায় পাচঁশ পরিবারের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। মানুষজন চরম দুর্ভোগের মুখে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানায়, উজান থেকে ধেয়ে আসা পানির চাপ সামলাতে তিস্তা ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার (৫২দশমিক ৪০) ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন চর ও গ্রাম নতুন করে পুনরায় বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ টি গেট খুলে রাখা হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন রোডের বন্যা পুর্বাভাস ও সর্তকীকরণ কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চল ও চরের ২৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, আশ্বিন মাসের সৃষ্ট বন্যায় এলাকাবাসীকে নানান দুর্ভোগে ফেলেছে। এ ছাড়া ফসলের মারাত্নক ক্ষতি হচ্ছে।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি এলাকার গত বন্যায় বিধ্বস্থ ক্রসবাঁধ দিয়ে পানি হুহু করে গ্রামে প্রবেশ করে শত শত পরিবারের ঘরবাড়ি কোমর পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।
এ ছাড়া নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে এক ও দুই নম্বর ওয়াডের ৩২ টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে অন্যত্র সরে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এর আগের বন্যা ও নদী ভাঙ্গনে আরো ৪১ পরিবারের ঘরবাড়ি সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।
ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন জানান, ওই এলাকায় তিস্তার বন্যার পাশাপাশি নদী ভাঙ্গনে মানুষজনের ভিটা যেমর বিলিন হচ্ছে তেমনি সেখানকার সীমান্তের চরখড়িবাড়ি বিজিবি ক্যাম্প ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদী ভাঙ্গনে হুমকীর মুখে পড়েছে। ওইসব ক্যাম্প ও বিদ্যালয়ের ভেতর দিয়েও তিস্তার বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
অপর দিকে ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই-খগাখড়িবাড়ি-গয়াবাড়ি-খালিশাচাঁপানী-ঝুনাগাছ চাঁপানী-জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি-গোলমুন্ডা-শৌলমারী ও কৈমারী এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছে উজানের ঢলে তিস্তার বন্যায় তাদের এলাকার নদী বেষ্টিত প্রায় পাচঁশ পরিবারের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। মানুষজন চরম দুর্ভোগের মুখে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানায়, উজান থেকে ধেয়ে আসা পানির চাপ সামলাতে তিস্তা ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে রাখা হয়েছে।
