মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ভারী নৌযান চলাচল শুরু

S M Ashraful Azom
মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ফের পণ্যবাহী ভারী নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকালে চারটি জাহাজ পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করে। আজ রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরনের নৌযান চলবে।
 
এদিকে, সকালে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর মোজাম্মেল হক  মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের খনন কাজ পরিদর্শন করেন।
 
বিআইডব্লিউটিএ’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এইচ মো. ফরহাদ উজ্জামান বলেন, ‘শনিবার বিকালে ১০-১১ ফুট ড্রাফটের ৪টি জাহাজ পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করেছে। বর্তমানে এই চ্যানেলে সকল প্রকার জাহাজ চলাচল করতে পারবে। রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরনের নৌযান চলাচল করবে। এর আগে জুন মাস থেকে জোয়ারের সময় ছোট ছোট লাইটারেজ জাহাজ চলাচল করেছে।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করবো বেশি ড্রাফটের জাহাজ চলাচলের জন্য চ্যানেলটি সচল রাখতে। আমরা নৌযান মালিকদের অবহিত করবো এই চ্যানেল দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য।’  পরীক্ষামূলক জাহাজ চলাচলের সময় উপস্থিত ছিলেন, বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম হাসান, মো. মজনু মিয়া, জরিপ বিভাগের সহকারী পরিচালক বিকাশ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।
 
নৌপথটি এতোদিন বন্ধ থাকায় ভারত-মংলা-ঢাকা রুটের নৌযানগুলোকে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে প্রায় ৬০ কিলোমিটার অতিরিক্ত ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এভাবে জাহাজ চলাচলের কারণে সুন্দরবনে শ্যালা নদী, মরা ভোলা ও ভোলা নদীতে তিন তিনবার লাইটারেজ জাহাজ ডুবে বনের জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ে।
 
এলাকাবাসী জানায়, চ্যানেল সংলগ্ন প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করায় দ্রুত চ্যানেলটি নাব্যতা হারায়। পরে প্র্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১২শ’ বাঁধের মধ্যে প্রশাসন মাত্র তিনশ’ বাঁধ অপসারণ করে। তবে সবগুলো বাঁধ অপসারণ করা হলে চ্যানেলটি সব সময়ই সচল থাকবে।
মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ভারী নৌযান চলাচল শুরু
বাগেরহাট প্রতিনিধি ও মংলা সংবাদদাতা
মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ফের পণ্যবাহী ভারী নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকালে চারটি জাহাজ পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করে। আজ রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরনের নৌযান চলবে।
 
এদিকে, সকালে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর মোজাম্মেল হক  মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের খনন কাজ পরিদর্শন করেন।
 
বিআইডব্লিউটিএ’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এইচ মো. ফরহাদ উজ্জামান বলেন, ‘শনিবার বিকালে ১০-১১ ফুট ড্রাফটের ৪টি জাহাজ পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করেছে। বর্তমানে এই চ্যানেলে সকল প্রকার জাহাজ চলাচল করতে পারবে। রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরনের নৌযান চলাচল করবে। এর আগে জুন মাস থেকে জোয়ারের সময় ছোট ছোট লাইটারেজ জাহাজ চলাচল করেছে।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করবো বেশি ড্রাফটের জাহাজ চলাচলের জন্য চ্যানেলটি সচল রাখতে। আমরা নৌযান মালিকদের অবহিত করবো এই চ্যানেল দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য।’  পরীক্ষামূলক জাহাজ চলাচলের সময় উপস্থিত ছিলেন, বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম হাসান, মো. মজনু মিয়া, জরিপ বিভাগের সহকারী পরিচালক বিকাশ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।
 
নৌপথটি এতোদিন বন্ধ থাকায় ভারত-মংলা-ঢাকা রুটের নৌযানগুলোকে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে প্রায় ৬০ কিলোমিটার অতিরিক্ত ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এভাবে জাহাজ চলাচলের কারণে সুন্দরবনে শ্যালা নদী, মরা ভোলা ও ভোলা নদীতে তিন তিনবার লাইটারেজ জাহাজ ডুবে বনের জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ে।
 
এলাকাবাসী জানায়, চ্যানেল সংলগ্ন প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করায় দ্রুত চ্যানেলটি নাব্যতা হারায়। পরে প্র্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১২শ’ বাঁধের মধ্যে প্রশাসন মাত্র তিনশ’ বাঁধ অপসারণ করে। তবে সবগুলো বাঁধ অপসারণ করা হলে চ্যানেলটি সব সময়ই সচল থাকবে।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top