বিএনপির
মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, ‘সরকার সম্পূর্ণ অসত্ উদ্দেশ্যে
বিরোধী দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলসমূহের
প্রতি দুরভিসন্ধিমূলক (দুই বিদেশী নাগরিককে হত্যার) অভিযোগ এনেছে। নতুন করে
নির্যাতনের পন্থা হিসেবে ইতিমধ্যে বিরোধী দলের অনেককে গ্রেফতারও করেছে।
আমরা এর তীব্র নিন্দা করি এবং সরকারের অভিযোগ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।’
শনিবার
নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের প্রতিষ্ঠাতা হাসানুল হক ইনুর
এসব তত্পরতার উদ্দেশে খুবই রহস্যজনক এবং বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণেরও
তিনি প্রতিবন্ধক। এই তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বকালে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে তিনি
গলাটিপে ধরতে সবসময় সচেষ্ট রয়েছেন।’
রিপন
বলেন, ‘আমরা মনে করি দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদের কোনো তত্পরতা নেই-তারপরেও যখন এ
ধরনের দাবি উঠেছে, তখন তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং উদ্ভূত সকল চ্যালেঞ্জ
ঐক্যবদ্ধভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। আমি দলের মুখপাত্র হিসেবে প্রথমেই এবং
পরবর্তীতে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব প্রশ্নে
জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়েছিলেন। আমরা মনে করি জাতীয় স্বার্থে
যাবতীয় জাতীয় সংকটে সকল ভেদাভেদ ভুলে একযোগে দেশের স্বার্থে কাজ করা জরুরি।
এটা আমাদের রাজনীতির ইতিবাচকতার আবারো প্রমাণ। কিন্তু অতীব দুঃখের সঙ্গে
বলতে হয়, সরকারের তথ্যমন্ত্রী আমাদের এই আহবানকে অসম্মান করেছেন। আমরা জানি
বর্তমান তথ্যমন্ত্রী ১৯৭২-১৯৭৫ সময়ে এদেশের রাজনীতিতে উগ্রপন্থারজনক। এই
পরজীবী রাজনীতিক এদেশে সহিংস রাজনীতির পথপ্রদর্শকও বটে।’

