![]() |
| বকশীগঞ্জে ডিবির ঝটিকা অভিযানে ভারতীয় মদসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার |
বকশীগঞ্জে ডিবির ঝটিকা অভিযান: ৯০ বোতল ভারতীয় মদসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
জামালপুরের বকশীগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি-১) পুলিশ সদস্যরা এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৯০ বোতল আমদানিন নিষিদ্ধ ভারতীয় মদসহ দুই মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। আজ রবিবার (২১ জুন) দুপুরে জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা হলেন— বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের সোবহান তালুকদারের ছেলে তাবিবুর রহমান তালুকদার (২৬) এবং একই উপজেলার পলাশতলা গ্রামের মোখলেস তালুকদারের ছেলে রিদুয়ান বারী তালুকদার (৩০)।
ডিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর জেলা পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবি-১ এর একটি চৌকস দল শনিবার (২০ জুন) বিকেলে জামালপুর-বকশীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার পাখিমারা নামক স্থানে একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসায়। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে তাদের হেফাজত থেকে অভিনব কায়দায় বহন করা ৯০ বোতল বিদেশি (ভারতীয়) মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-১) জানায়, গ্রেফতারকৃতরা পেশাদার মাদক চোরাকারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ পথে ভারতীয় মদ ও মাদকদ্রব্য চোরাচালানের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসত এবং পরবর্তীতে তা জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় পাচার ও খুচরা বিক্রি করত।
এই মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ দুপুরে কঠোর পুলিশি পাহারায় গ্রেফতারকৃতদের জামালপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী এই সফল অভিযান প্রসঙ্গে জামালপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, "মাদকমুক্ত ও নিরাপদ জামালপুর গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি এবং সমাজ ধ্বংসকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই ঝটিকা ও সাঁড়াশি অভিযান আগামীতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।"
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে যারা অবৈধভাবে মাদক ও নিষিদ্ধ পণ্য দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) নীতি অনুসরণ করছে এবং এই সামাজিক ব্যাধি দূর করতে আমরা সর্বস্তরের সচেতন জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।"







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।