![]() |
| জামালপুরে হিফযুল কুরআন ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত |
জামালপুরে হিফযুল কুরআন ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঠিক চর্চা এবং বিকাশের লক্ষ্যে জামালপুরে দিনব্যাপী দ্বিতীয় হিফযুল কুরআন ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের কটারবাড়ী এলাকার ‘দারুস সুন্নাহ সালাফিয়া মাদ্রাসা’ প্রাঙ্গণে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ইসলামিক স্কলারদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ।
সৌদি আরবের মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্তত ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ময়মনসিংহের একঝাঁক শিক্ষার্থীর উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। জামালপুর ছাড়াও শেরপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৫১টি মাদ্রাসার প্রায় সাড়ে সাত শ প্রতিযোগী ১২টি বিভাগে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। উল্লেখ্য, এবারই প্রথম নারী শিক্ষার্থীরাও এ আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় কিরাত, হিফযুল কুরআন, হিফযুল হাদিস, আকাইদ, গ্রন্থপাঠ এবং বাংলা, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় বক্তব্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। সৌদি আরবে অধ্যয়নরত স্কলারগণ এতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।
প্রতিযোগিতা শেষে সন্ধ্যায় এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দারুস সুন্নাহ সালাফিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. শেখ সাদী বিন আব্দুর রশিদ মাদানীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের সভাপতি অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ ফারুক সালাফী।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন মাদ্রাসার সভাপতি শাইখ মো. আবদুল ওয়াহাব এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জমঈয়তে আহলে হাদীসের সহসভাপতি শাইখ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী।
সৌদি আরবে অধ্যয়নরত ময়মনসিংহ বিভাগীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ বিন আবদুল্লাহ বলেন, “গতবারের সফলতার ধারাবাহিকতায় এবারও আমরা এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। এবার ময়মনসিংহের বাইরে থেকেও একাধিক জেলার শিক্ষার্থী এসেছে। পাশাপাশি ১০টি মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রীরা প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়ায় আয়োজনটি পূর্ণতা পেয়েছে।”
দারুস সুন্নাহ সালাফিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. শেখ সাদী বিন আব্দুর রশিদ মাদানী বলেন, “আমাদের মূল উদ্দেশ্য তরুণ প্রজন্মকে কুরআন-সুন্নাহ ও বিশুদ্ধ ইসলামি সংস্কৃতির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চশিক্ষার মানসিকতা তৈরি হবে এবং সমাজে কোরআনের আলো ছড়িয়ে পড়বে।”
আলোচনা পর্ব শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও মেধা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।