অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হকের সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুবাই টেস্টের প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৮২ রান তুলেছে পাকিস্তান। দিন শেষে ১০২ রানে অপরাজিত আছেন মিসবাহ। এছাড়া ইউনিস খান ৫৬ ও শান মাসুদ ৫৪ রান করেন।
দুবাইয়ে টস ভাগ্যে জয় পান পাকিস্তান দলপতি মিসবাহ। তাই প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্তটা নিতে কার্পণ্য করেননি তিনি। দলের জন্য শুরুটা ভালোই করেছিলেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার মোহাম্মদ হাফিজ ও মাসুদ। উদ্বোধনী জুটিতে ৫১ রান যোগ করেন তারা। হাফিজকে ব্যক্তিগত ১৯ রানে ফিরিয়ে দিয়ে ইংল্যান্ডকে প্রথম সাফল্য এনে দেন স্পিনার মঈন আলী। হাফিজের ফিরে যাবার পর ক্রিজে আসেন আগের টেস্টের প্রথম ইনিংসে ডাবল-সেঞ্চুরি হাঁকনো শোয়েব মালিক। কিন্তু ক্রিজে বেশিক্ষণ থাকা হয়নি তার। মাত্র ২ রান করে প্যালিভিয়নে হাফিজের সঙ্গী হন মালিক। দলীয় ৮৫ রানে উইকেট পতনের খাতায় নাম লেখান মাসুদও। টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া মাসুদ ফিরেন ৫৪ রান করে। চতুর্থ উইকেটে জুটি বেঁধে এরপর দলকে সামনের দিকে টেনেছেন গত টেস্টে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হওয়া ইউনিস ও অধিনায়ক মিসবাহ। ইংল্যান্ড বোলারদের সুযোগ না দিয়েই অনায়াসেই রান তুলছিলেন তারা।
জুটিতে তিন অংকের কোটা অতিক্রম করার প্রহর গুণচ্ছিলেন ইউনিস ও মিসবাহ। কিন্তু মার্ক উডের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে নামের পাশে ৫৬ রান রেখেই ফিরে যান ইউনিস। ফলে ৯৩ রানেই থেমে যায় ইউনিস ও মিসবাহ’র জুটি। টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩০তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৫৬ রানে বিদায় নেন ইউনিস। ইউনিস যখন ফিরে যান, তখন দলের স্কোর ৪ উইকেটে ১৭৮ রান। ফলে পাকিস্তানের রানকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্বটা পুরোপুরিভাবে বর্তায় অধিনায়ক মিসবাহ’র উপর। দায়িত্বটা ভালোভাবেই করেছেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে দিন শেষে দলের রানকে ভালো অবস্থায় নিয়ে যান মিসবাহ।
অবশ্য নাটকীয়ভাবে দিনের শেষভাগে সেঞ্চুরি পেয়েছেন মিসবাহ। স্ট্রাইকে থাকা মিসবাহ’র বিপক্ষে বল করতে দিনের শেষ ওভারে আসেন মঈন। তখন মিসবাহ’র রান ছিলো ৮৭। ঐ ওভারের প্রথম ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাকিয়ে ৯৯ রানে পৌঁছে যান মিসবাহ। এরপর চতুর্থ বলে ২ রান নিয়ে তিন অংকে পা রাখেন তিনি। তাকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন ছয় নম্বরে নামা আসাদ শফিক। মিসবাহ ১০২ ও শফিক ৪৬ রানে অপরাজিত আছেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন জেমস এন্ডারসন, মঈন, উড ও বেন স্টোকস। বাসস।

