বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির তথ্য সংবাদ সম্মেলনে সরবরাহ না করায় প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে দুদক কর্মকর্তারা। এ সময় দুদকের প্রতিরোধ ও গণসচেতনতা বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) শামছুল আরেফিন জানান—অনুসন্ধানের সীমাবদ্ধতার কারণে মামলার এজহারে আসামি হিসেবে কারো নাম না থাকলে তদন্তে কারো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মানুযায়ী মাসিক সংবাদ সম্মেলন করে দুদক।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে প্রদান করা লিখিত বক্তব্যে চলতি বছরের আগস ও সেপ্টেম্বরের মামলা ও চার্জশিটের সংক্ষিপ্ত তথ্য ছিল। সেখানে ১০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মামলা দায়েরের তথ্য দেয়া হলেও বেসিক ব্যাংকের ৫৬টি মামলার কোনো তথ্য দেয়া হয়নি। ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দুদকের প্রতিরোধ ও গণসচেতনতা বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) শামছুল আরেফিন এবং বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত বিভাগের পরিচালক নূর মোহাম্মদ, পরিচালক বেলাল হোসেন এবং দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।
বেসিক ব্যাংকের মামলাগুলোর ব্যাপারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে দুদকের ডিজি শামছুল আরেফিন বলেন, অনুসন্ধানকালে যাদের বিরুদ্ধে দালিলিক তথ্য পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা যাদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। অনুসন্ধান পর্যায়ে আমাদের কিছু আইনি সীমাবদ্ধতা থাকে। যেমন আমরা চাইলেই যেকোনো কিছু জব্দ করতে পারি না। তবে মামলার পরে তদন্তে আমাদের জব্দ করার সুযোগ থাকে। তখন কারো অপরাধ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

