ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টিম ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বগুড়া থেকে শিবির সন্দেহে ২১ জন ছাত্রসহ ২৫ জনকে আটক করেছে।
শুক্রবার ভোর রাতের এই অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জেলার আদমদীঘি উপজেলা পরিষদের জামায়াত সমর্থিত ভাইস চেয়ারম্যান ডা. ইউনুস আলী এবং থানা বিএনপির এক নেতা রয়েছেন।
জানা গেছে, শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে শহরের পুরান বগুড়ায় অবস্থিত মসজিদ ছাত্রাবাস থেকে ২১ জন ছাত্রকে আটক করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, গোয়েন্দা পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য ওই ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে ছাত্রদের তুলে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সংবাদকর্মীরা দিনভর পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চেয়েও ব্যর্থ হন। রাতে পুলিশের পক্ষ থেকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করা হয়।
এর আগে শুক্রবার ভোর রাতে গোয়েন্দা পুলিশের দলটি আদমদীঘি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. ইউনুছ আলী ও বিএনপি নেতা মেহেদী হাসানসহ ৪ জনকে আটক করে। জানাযায়, পুরান বগুড়া থেকে ছাত্রদের আটকের পর শুক্রবার দিনভর সদর থানার দোতলায় একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। রাত ৮টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে তাদেরকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর (ওসি) আমিরুল ইসলাম শুক্রবার রাত সোয়া ১১টায় জানান, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজির হোসেনের নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে ২১ ছাত্রসহ ২৫ জনকে আটক করেছে। তারা শুক্রবার রাত ৮টার দিকে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় নিয়ে গেছে। তবে, কেন তাদের আটক করা হয়েছে এবিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি।
পুলিশের একটি সূত্রে জানাগেছে, জামায়াত-শিবিরের গোপন বৈঠকের সংবাদ পেয়েই ঢাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশের দলটি বগুড়ায় এসে পুরান বগুড়ায় ছাত্রাবাসে এবং আদমদীঘি থানা পুলিশ পৃথকভাবে অভিযান চালায়।

