ঈদুল আজহার শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক পরও দাম কমেনি নিত্যপণ্যের। বরং বেশিরভাগ পণ্যের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১৫ টাকা। ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়েছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশিরভাগ পণ্যের দাম। বিশেষ করে মসলাজাতীয় পণ্যের দাম হয়েছিল প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু এসব পণ্যের দাম এখনো আগের মতোই আছে। পাশাপাশি বেড়েছে সবজি-মাছের দাম। স্থিতিশীল রয়েছে মাংসের বাজার।
বিক্রেতারা বলছেন, ঈদ শেষে এখনো বাজারে পণ্যের আমদানি স্বাভাবিক হয়নি। তাই দামেও তেমন পরিবর্তন আসেনি।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ঈদের আগে নিত্যপণ্যের বাজার বেড়ে যেমনটি হয়েছিল এখন ঠিক সেরকমই আছে। তেমন কমেনি কোনো পণ্যের দাম। বরং বেড়েছে অনেক পণ্যের দর।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো মূল্য কেজিতে ১২০ টাকা। বেগুন ৯০ টাকা কেজি। মূলা, ঢেঁড়স, কাকরোল, শসা ও বরবটি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। পটল ৬০, লালশাক প্রতি আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে।
বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আলু প্রতি কেজি ২৫-২৮ টাকা এবং আদা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে আমদানি কম। সেই সুযোগে বিক্রেতারা দামও হাকাচ্ছেন বেশি। এদিন কৈ ২০০-২২০ টাকা, তেলাপিয়া বড় ২৬০, সরপুঁটি ৩০০, চিংড়ি ৫৫০-৯০০ টাকা, রুই ২০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৩০ থেকে ১৪৫ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৪০ ও লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ঈদের পরপর বাজারে মালামাল আমদানি কম। তাছাড়া কাস্টমার বাড়তে শুরু করায় দাম একটু বেশি হচ্ছে বলে বিক্রেতারা বলছেন।
কোরবানির সময় এমনিতেই কয়েকদিন সবজির চাহিদা ও বিক্রি কম থাকে। তাই বিক্রেতারা বাড়তি সবজি আনতে আগ্রহী হচ্ছে না। কিন্তু আমদানি আগের মতো থাকলেও ক্রেতা বেড়ে যাওয়ায় দামও বাড়তে শুরু করেছে।

