পাঁচ
বছর পর দলে ফিরেই টেস্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করলেন পাকিস্তানের শোয়েব মালিক।
তার অপরাজিত ১২৪ রানের উপর ভর করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম
টেস্টের প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৮৬ রান করেছে পাকিস্তান। এ ম্যাচের প্রথম
ইনিংসে ৩৮ রান করে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন ইউনিস খান।
আবুধাবিতে
সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন
পাকিস্তানের অধিনায়ক মিসবাহ উল হক। দলীয় ৫ রানেই ওপেনার সান মাসুদকে
প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান ইংল্যান্ড পেসার জেমস এন্ডারসন। ২ রান করে আউট হন
মাসুদ। এরপর দলের স্কোরটাকে মজবুত অবস্থানে নিয়ে যান আরেক ওপেনার মোহাম্মদ
হাফিজ ও তিন নম্বরে নামা শোয়েব মালিক।
দ্বিতীয়
উইকেট জুটিতে ইংল্যান্ডের বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকেন
হাফিজ ও মালিক। ফলে দলীয় স্কোর দেড় শতাধিক রানের কোঠা পেরিয়ে যায়। সেই সাথে
দুইজনই তুলে নেন হাফ-সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম হাফ-সেঞ্চুরির
স্বাদ পাওয়া হাফিজ স্বপ্ন দেখছিলেন নবম সেঞ্চুরির। কিন্তু ব্যক্তিগত ৯৮
রানে হাফিজকে থামিয়ে দেন বেন স্টোকস। ফলে ১৬৮ রানের জুটিও ভাঙ্গে।
এরপর
ইউনিসকে নিয়ে আবারো দলের স্কোর বাড়ানোর চেষ্টা করেন মালিক। এই জুটিও ৭৪
রান যোগ করেন। এই ইনিংসে পাকিস্তানের সর্বো”চ রান সংগ্রাহক নিশ্চিত করা
ইউনিস ব্যক্তিগত ৩৮ রানে বিদায় নিলেও, ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন
মালিক। পাঁচ বছর পর দলে ফিরেই সেঞ্চুরি করলেন মালিক। সর্বশেষ ২০০৯ সালে
শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্ট ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করেছিলেন মালিক।
মাঝে
অধিনায়ক মিসবাহ ৩ রানে আউট হলেও, আসাদ শফিককে নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ
করেন মালিক। শফিক ১১ ও মালিক ১২৪ রানে অপরাজিত আছেন। মালিকের ২৩০ বলের
ইনিংসে ১৪টি বাউন্ডারি ছিল। ইংল্যান্ডের জেমস এন্ডারসন ২ উইকেট শিকার করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : (প্রথম দিন শেষে)
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস : ২৮৬/৪, ৮৭ ওভার (মালিক ১২৪*, হাফিজ ৯৮, এন্ডারসন ২/২৯)।

