পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কোম্পানি তাদের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ সব কোম্পানির আয় বৃদ্ধি বা কমার ওপর নির্ভর করে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিতে বিনিয়োগ করছেন। যেসব কোম্পানির আয় বাড়ছে, সে কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বাড়ছে। আর যেসব কোম্পানির আয় কমছে সে সব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও কমছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন—বাজারে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ কোম্পানিরই তৃতীয় প্রান্তিক শেষ হয়েছে সেপ্টেম্বরে। এরপর গত সপ্তাহ থেকে তাদের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে শুরু করেছে। এখন বিনিয়োগকারীরা এ সব কোম্পানির আয়ের ওপর ভিত্তি করে বিনিয়োগ করছেন। তবে এবার এখন পর্যন্ত যেসব কোম্পানি তাদের তৃতীয় প্রান্তিকের ফলাফল প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে বেশির ভাগ কোম্পানিরই আয় আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ফলে কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমেছে। এতে বাজারের সূচকও কমে যাচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে দেড় শ পয়েন্টেরও বেশি।
স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তারা বলছেন—বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ভালো মুনাফা করতে পারলে বাজারের দিকে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কোম্পানিগুলো সব দিক বিবেচনায় ভালো আয় করতে পারছে না। ফলে পুঁজিবাজারও ভালো কোনো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। তার আগেই দরপতন হচ্ছে। তাই পুঁজিবাজারকে ভালো কোনো জায়গায় দেখতে হলে গোটা অর্থনীতিতেই ইতিবাচক প্রবণতা আনতে হবে।

