সেবা ডেস্ক: ২৭৪ রানের লক্ষ্যাটা অস্পৃশ্যই রয়ে গেলো জিম্বাবুয়ের কাছে। এই রানের পিছনে ছুটতে গিয়ে ১২৮ রানে গুটিয়ে গেছে তারা। ফলে ১৪৫ রানের সহজ জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের দ্বিতীয়টি মাঠে গড়াবে ৯ নভেম্বর।
মিরপুরের ধীর গতির উইকেটে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ মোকাবেলা করে জিম্বাবুয়ের পক্ষে ২৭৪ রান করা যে সহজ ব্যাপার নয়, এটা বোঝা গিয়েছিলো আগেই। তারপরও প্রস্ততি ম্যাচে ২৭৭ চেজ করে জয়ের টাটকা নজির থাকায় কিছুটা সংশয়ও ছিলো।
৯.১ ওভারে ৪০ রান তুলে জিম্বাবুয়ে ইঙ্গিত দিচ্ছিলো অন্য কিছুরই। কিন্তু ওপেনিং জুটিটা ভাঙার পর আর সেভাবে ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা। উল্টো যতো সময় গড়িয়েছে, ম্যাচ থেকে ততোই ছিটকে গেছে সফরকারীরা।
তাদের ছিটকে দেয়ার কাজের কিছুটা করে রেখেছিলেন মুশফিক। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি করে নিরাপদ পুঁজি এনে দিয়েছিলেন। পরে সেই পুঁজির উপর দাঁড়িয়ে বাকি কাজটা শেষ করেছেরন সাকিব আল হাসান। একের পর এক উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ে কোনঠাসা করে দেন তিনি।
ইনজুরির কারণে তাদের একজন ব্যাটসম্যান নামতে পারেনি। নয় উইকেটের পাঁচটিই নেন সাকিব। এবারই প্রথমবার ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট পেলেন সাকিব। দুটি উইকেট মাশরাফি এবং একটি উইকেট যায় এক বছর পর দলে ফেরা আল আমিনের ঝুলিতে। বাকি এক উইকেট পান নাসির হোসেন।
