
ডেস্কটপ পিসি বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ক্ষতিকর ও সন্দেজনক ওয়েবসাইট ব্রাউজিং থেকে সুরক্ষা দিতে ২০১২ সালে গুগল অবমুক্ত করে সেফ ব্রাউজিং নামের একটি বিশেষ সেবা। ওই বছরেই গুগল সেফ ব্রাউজিংয়ের ব্যবহারকারীর সংখ্যা পেরিয়ে যায় ছয়শ মিলিয়ন। সময়ের সাথে সাথে এর ব্যবহারকারী বর্তমানে পেরিয়ে গেছে এক বিলিয়ন বা একশ কোটি।
বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে ম্যালওয়্যার কিংবা ফিশিং উপাদানের উপস্থিতি থাকলে এই ফিচারটি ওইসব ওয়েবসাইটকে ব্লক করে দিত স্বয়ংক্রিয়ভাবেই। পিসিতে এই ফিচারের সফল উপস্থিতি থাকলেও এতদিন পর্যন্ত মোবাইল ডিভাইসে ছিল না এই উপস্থিতি। তবে মোবাইল ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকেও এই ফিচারকে মোবাইলেও চালু করার একটি দাবি ছিল দীর্ঘদিন ধরেই। এর প্রেক্ষিতে গুগল প্লে সার্ভিস ৮.১-এর আওতায় সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে সীমিত আকারে সেবাটি চালু হয় অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য। এবারে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারের সাথে যুক্ত করা হলো এই ফিচারটি।
ক্রোম ফর অ্যান্ড্রয়েডের ৪৬তম সংস্করণে যুক্ত হয়েছে এই সেফ ব্রাউজিং ফিচারটি। ক্রোম ব্রাউজারকে এই সংস্করণে আপডেট করে নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কাজ করতে থাকবে ফিচারটি। তবে কেউ ফিচারটি চালু না রাখতে চাইলে সেটাও পারবেন।
ক্রোমের সেটিংস থেকে প্রাইভেসিতে নিয়ে ফিচারটি নিষ্ক্রিয় করে রাখার অপশন পাওয়া যাবে। আবার ক্রোমের ডাটা সেভার অপশনটির সাথে এটি সংযুক্ত রয়েছে বলে কেউ ক্রোমের ডাটা সেভার অপশনটি ব্যবহার করতে করলে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ব্যবহার করতে হবে সেফ ব্রাউজিং।
এটি ব্যবহার করলে তাতে ব্রাউজিংয়ের গতির ওপরে কোনো প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছে গুগল। তারা জানিয়েছে, ডেস্কটপ পিসিতে যতটা কার্যকরভাবে সেফ ব্রাউজিং ফিচারটি কাজ করে থাকে, অ্যান্ড্রয়েডেও সেই একই দক্ষতাতেই কাজ করতে সমর্থ হবে ফিচারটি।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।