কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমানেত্ম ভারতীয় হাতি দল আতংকে সীমানত্মবর্তী গ্রামের মানুষজন

G M Fatiul Hafiz Babu
  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ঃ ০৫.১২.২০১৬ঃ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার রৌমারী সদর, যাদুরচর ও শৌলমারী ইউনিয়নের সীমানত্মবর্তী অনত্মত ২০টি গ্রামের মানুষ ভারতীয় ১৫টি বন্য হাতি আতংঙ্কে নির্ঘুম রাত পার করছে। গত দুই দিন থেকে সীমানত্মবর্তী মানুষেরা ফসল ও ঘর-বাড়ীসহ জানমালের ড়্গতির আশংকায় বিকেল থেকে রাতভর আগুন জ্বালিয়ে ও ঢাক ঢোল পিটিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হচ্ছে না। হাতির দলটি সুযোগ বুঝে বিকেল থেকে সন্ধার মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যনত্মরে প্রবেশ করে রাতভর ধান, সরিষা, কালাইসহ চরাঞ্চলের বিভিন্ন ফসলের ড়্গতি সাধন করে সকালে কাটাতারের বেড়া সংলগ্ন নো-ম্যানসল্যান্ডে চলে যাচ্ছে। এ অবস্থায় হাতি দেখার জন্য হাজার হাজার উৎসুক জনতা ভীড় করছে। উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তাসহ পুলিশ প্রশাসন স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বিভিন্ন কৌশলে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যার্থ হচ্ছেন। বিজিবি’র পড়্গ থেকে ভারতের সীমানত্মরড়্গী বাহিনী বিএসএফ কে অবহিত করা হলেও তারাও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না। হাতির দলটি বর্তমানে শৌলমারী ইউনিয়নের নতুন শৌলমারী গ্রামের সীমানেত্ম বাংলাদেশের ১শ গজ অভ্যনত্মরে অবস্থান করছে। 

এলাকাবাসী জানায়, গত শনিবার রাতের কোন এক সময় রৌমারী সীমানেত্মর ১০৬৭ আনর্ত্মজাতিক সীমানা পিলারের পাশ দিয়ে ভারতের গারোহিল পাহাড় থেকে ১৫টি বন্য হাতির একটি দল বাংলাদেশের অভ্যনত্মরে প্রবেশ করে। হাতিগুলো দিনের বেলা কাটাতারের নিকটবর্তী নো-ম্যানসল্যান্ডে অবস্থান করলেও রাতের বেলা বাংলাদেশের অভ্যনত্মরে প্রবেশ করে সীমানত্মবর্তী জমির ফসলের ড়্গতি সাধন করছে। এ অবস্থায় রৌমারী সদর, যাদুরচর ও শৌলমারী ইউনিয়নের বড়াইবাড়ি, বারবান্দা, চুলিয়ারচর, খেয়ারচর ও আলগারজরসহ ২০ গ্রামের মানুষজন আতংকিত হয়ে পড়েছে। যেকোন সময় বন্য হাতির দলটি গ্রামে প্রবেশ করে বাড়ী-ঘরসহ জানমালের ড়্গতির আশংকা করছে সীমানত্মবর্তী মানুষেরা। এ ব্যপারে প্রশাসনের হসত্মড়্গেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

রৌমারী সীমানত্মবর্তী এলাকার লাল মিয়া ডাক্তার ও হারম্নন-অর-রশিদ জানায়, বন্য হাতির এ দলটি দেখতে বর্তমানে হাজার হাজার মানুষ ভীড় করছে। যেকোন সময় হাতি গুলো রেগে গেলে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। হাতি গুলোকে ভারতের অভ্যনত্মরে ফেরত পাঠাতে আমরা বন বিভাগসহ প্রশাসনের হসত্মড়্গেপ কামনা করছি।

এব্যাপারে বনবিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, আমরা হাতির দলটিকে ভারতের পাহাড়ে ফেরত পাঠাতে বিভিন্ন রকমের চেষ্টা করছি। কিনত্ম উৎসুক জনতার ভীড়ের কারনে তা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া বন বিভাগ রংপুর রেঞ্জে হাতি তাড়ানোর প্রশিড়্গন প্রাপ্ত কোন লোকজন না থাকায় নিজেরাই চেষ্টা করছি। আমরা বিষয়টি উপরস্থ কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি।

রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম সাজেদুল ইসলাম জানান, ভারতীয় বন্য হাতির দলটি যাতে করে জানমালের ড়্গতি করতে না পারে এজন্য আমরা ঐ এলাকায় পুলিশসহ চৌকিদার পাঠিয়েছি। তারা সার্বড়্গনিক দায়িত্ব পালন করছে।
ট্যাগস

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top