
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষার্থী দুইহাত বিহীন প্রতিবন্ধী অদম্য সিয়ামের লেখাপড়ার সকল খরচের দায়িত্ব নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি সিয়ামের পা দিয়ে লিখে পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের খবরটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
জানা যায়, পা দিয়ে লিখে পরিক্ষা দিচ্ছে সিয়াম। সংবাদটি দেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম চাপার কোনা মহেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শনে যান। প্রতিবন্ধী সিয়াম ও তার মা জোসনা বেগমের সাথে আলোচনা করে তার পড়ালেখার সকল দায়িত্ব নেন বলে জানা গেছে। সিয়ামের কাছে জানতে চাইলে সে বলে, আমার জীবনের সকল আশা গুলো হয়তো পুরন হবে। আমি অনেক খুশি হয়েছি। আমার বাবার পক্ষে যেটা সম্ভব হবে না সেটা সরকার আমার জন্য করবে। আমি বড় সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার সপ্ন পূরন করব। দেশ সেবার কাজও করতে পারবো।
সিয়ামের মা জোসনা বেগম কান্না জিড়ত কন্ঠে বলেন, আমার বাবার তাহলে একটা গতি হবে। সরকারের কাছে চিরদিন ঝণী থাকবো। আমার ছেলের মনের আশা পুরন হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। পরীক্ষার্থী ছেলেটির দুটি হাত নেই। দরিদ্র পরিবার লেখাপড়া করানোর সামর্থ তাদের নেই। তাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার আশ্বাষ দিয়েছি। প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি সকল ভাতাও তাকে দেওয়া হবে।
অপরদিকে কেন্দ্র সচিব মহেষ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, সিয়াম সমাপনী পরীক্ষায় পাশ করার পর অত্র বিদ্যালয়ে ভর্তি হলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখাসহ তার ভরন পোষণের সমস্ত দায়িত্ব বহন করা হবে।’
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক
জানা যায়, পা দিয়ে লিখে পরিক্ষা দিচ্ছে সিয়াম। সংবাদটি দেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম চাপার কোনা মহেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শনে যান। প্রতিবন্ধী সিয়াম ও তার মা জোসনা বেগমের সাথে আলোচনা করে তার পড়ালেখার সকল দায়িত্ব নেন বলে জানা গেছে। সিয়ামের কাছে জানতে চাইলে সে বলে, আমার জীবনের সকল আশা গুলো হয়তো পুরন হবে। আমি অনেক খুশি হয়েছি। আমার বাবার পক্ষে যেটা সম্ভব হবে না সেটা সরকার আমার জন্য করবে। আমি বড় সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার সপ্ন পূরন করব। দেশ সেবার কাজও করতে পারবো।
সিয়ামের মা জোসনা বেগম কান্না জিড়ত কন্ঠে বলেন, আমার বাবার তাহলে একটা গতি হবে। সরকারের কাছে চিরদিন ঝণী থাকবো। আমার ছেলের মনের আশা পুরন হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। পরীক্ষার্থী ছেলেটির দুটি হাত নেই। দরিদ্র পরিবার লেখাপড়া করানোর সামর্থ তাদের নেই। তাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার আশ্বাষ দিয়েছি। প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি সকল ভাতাও তাকে দেওয়া হবে।
অপরদিকে কেন্দ্র সচিব মহেষ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, সিয়াম সমাপনী পরীক্ষায় পাশ করার পর অত্র বিদ্যালয়ে ভর্তি হলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখাসহ তার ভরন পোষণের সমস্ত দায়িত্ব বহন করা হবে।’
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।